বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মাদকের বিস্তাররোধ ও আমাদের করণীয় শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই : জেলা প্রশাসক

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই : জেলা প্রশাসক

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে এবং জনসচেতনতা সৃষ্টি লক্ষ্যে “মাদকের বিস্তাররোধ ও আমাদের করণীয়” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।

মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে এবং জনসচেতনতা সৃষ্টি লক্ষ্যে “মাদকের বিস্তাররোধ ও আমাদের করণীয়” শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর ১২ টায় চাঁদপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে চাঁদপুর জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁদপুর জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ জিয়াউর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। মাদকের ভয়াবহতা থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে হলে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, মাদক প্রতিরোধে কেবল আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়, এর পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি। প্রত্যেক পরিবারকে সন্তানদের প্রতি আরও যত্নশীল হতে হবে এবং তাদের চলাফেরা ও বন্ধুবান্ধব সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। যুবসমাজকে খেলাধুলা, সংস্কৃতি চর্চা ও ইতিবাচক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে পারলে মাদকের বিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব। মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ এরশাদ উদ্দিনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মো. রবিউল হাসান, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীন, বাংলাদেশ প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জিএম শাহীন, চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডঃ ইকবালুর রহমান, সময় টিভির চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি ফারুক আহমেদ।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চাঁদপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক মুহাঃ মিজানুর রহমান।

বক্তারা মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব, এর বিস্তার রোধে করণীয় এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital