বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে যুবদল নেতা কবির চোকদারের অর্থায়নে নির্মিত হলো বাঁশের সাঁকো, স্বস্তি ফিরল গ্রামবাসীর

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ৮:৫১ পিএম
চাঁদপুরে যুবদল নেতা কবির চোকদারের অর্থায়নে নির্মিত হলো বাঁশের সাঁকো, স্বস্তি ফিরল গ্রামবাসীর
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৪ নম্বর রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষের দীর্ঘদিনের চলাচল দুর্ভোগ লাঘবে নিজ অর্থায়নে একটি বড় বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দিয়েছেন জেলা ডেভেলপারস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি কবির চোকদার।
শনিবার (২০ জুন) সকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে ফিতা কেটে সাঁকোটির উদ্বোধন করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দেওয়ান কান্দি ও প্রধানীয়া কান্দি এলাকার মাঝ দিয়ে প্রবাহিত খালের কারণে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছিল। মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা ছিল এক বা দুটি নৌকা। বিশেষ করে এলাকার দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতে ব্যাপক সমস্যা হতো।
এ অবস্থায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন কবির চোকদার। এলাকাবাসীর দাবি, এই সাঁকো চালু হওয়ার ফলে ইউনিয়নের প্রায় ১০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন।
এ বিষয়ে কবির চোকদার বলেন, “আমরা রাজনীতি করি মানুষের জন্য। এখানে দীর্ঘদিন মানুষের চলাচলে বড় ধরনের সমস্যা ছিল। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে কষ্ট হতো। তাদের কথা চিন্তা করেই আমি সাঁকোটি নির্মাণ করেছি। আশা করছি, আমাদের অভিভাবক মাননীয় এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাইয়ের মাধ্যমে ভবিষ্যতে এখানে একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মাণ করা সম্ভব হবে।”
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম চোকদার, ইউপি সদস্য শফিকুল কুড়ালী, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সুফিয়ান পাটওয়ারী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন মোল্লা, অলিউল্লাহ দেওয়ান, আনোয়ার সরদার, আলমগীর মাল, মুরাদ চোকদার, ওয়ালিউল্লাহ, সালেহ আহমদ, আবুল কালাম, শ্রমিক দলের সভাপতি নিজাম উদ্দিন প্রধানীয়া, সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল মাল, সিনিয়র সহ-সভাপতি আলী হোসেন ঢালী, তাঁতি দলের আহ্বায়ক এবাদ উল্লাহ দেওয়ান, সহ-সভাপতি আবুল হোসেন মাল, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আলতাফ বেপারীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, এলাকার উন্নয়নে চোকদার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে অবদান রেখে আসছে। বাঁশের এই সাঁকো নির্মাণ তারই একটি উদাহরণ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।