বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের উদ্যোগে বৃত্তি প্রদান ও ভোকেশনাল এক্সিলেন্সি অ্যাওয়ার্ড প্রদান

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম
চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের উদ্যোগে বৃত্তি প্রদান ও ভোকেশনাল এক্সিলেন্সি অ্যাওয়ার্ড প্রদান

চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের আয়োজনে শনিবার (২০ জুন) রাত ৮ টায় চাঁদপুর ক্লাব অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃত্তি প্রদান  ও ভোকেশনাল এক্সিলেন্সি অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে জেলার ১৩ জন আর্থিকভাবে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে নগদ অর্থসহ শিক্ষাবৃত্তি ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। একইসঙ্গে নিজ নিজ পেশাগত ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান ও সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ চাঁদপুরের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১২ জন কর্মকর্তার হাতে ভোকেশনাল এক্সিলেন্সি অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান এবং পুলিশ সুপার মোঃ রবিউল হাসান।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারি ডিস্ট্রিক্ট ৬৫ বাংলাদেশ-এর অ্যাডিশনাল কো-অর্ডিনেটর (অ্যাডমিন) রোটারিয়ান কামরুজ্জামান চৌধুরী রোম্মান।

Model Hospital

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করা এবং সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান অত্যন্ত মহৎ উদ্যোগ। চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাব দীর্ঘদিন ধরে যে সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়ে আসছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশে এ ধরনের কার্যক্রম সমাজকে আরও এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রোটারিয়ান পিপি শেখ মনির হোসাইন বাবুল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের সভাপতি রোটারিয়ান আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সেক্রেটারি রোটারিয়ান গিয়াসউদ্দিন মিলন, ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, চাঁদপুর রোটারি ক্লাব-এর সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, হিলসা সিটি রোটারি ক্লাব-এর সভাপতি ও সদস্যবৃন্দ, চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স-এর সভাপতি ও সদস্যবৃন্দসহ জেলার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা শিক্ষার প্রসার, মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ এবং পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে রোটারির ভূমিকার প্রশংসা করেন। তারা বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের কৃতী ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান সমাজকে ইতিবাচকভাবে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং অংশগ্রহণকারীরা চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের এ ধরনের মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, শিক্ষাবৃত্তি প্রদান ও ভোকেশনাল এক্সিলেন্সি অ্যাওয়ার্ড—এই দুটি সিগনেচার প্রকল্প চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাব গত ১৬ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে পরিচালনা করে আসছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital