বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর বালুবাহী নৌযান মালিক সমবায় সমিতির নির্বাচন ২১ জুলাই

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১০:৫৯ পিএম
চাঁদপুর বালুবাহী নৌযান মালিক সমবায় সমিতির নির্বাচন ২১ জুলাই

চাঁদপুর বালুবাহী নৌযান মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন আগামী ২১ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে।

এ লক্ষ্যে রোববার (২১ জুন) সকালে ট্রাকঘাটস্থ সমিতির কার্যালয়ে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ জুন সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সমিতির কার্যালয় (ট্রাকঘাট, নতুনবাজার), উপজেলা সমবায় কার্যালয় (চাঁদপুর সদর) এবং জেলা সমবায় কার্যালয় (বিপণীবাগ) থেকে মনোনয়নপত্র বিক্রয় ও বিতরণ করা হবে। আগামী ১ জুলাই সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত জেলা সমবায় কার্যালয়ে নির্বাচন কমিটির নিকট মনোনয়নপত্র দাখিল করা যাবে।

পরবর্তী সময়ে ২ জুলাই মনোনয়নপত্র বাছাই অনুষ্ঠিত হবে। ৫ জুলাই বৈধ ও বাতিল মনোনয়নপত্রের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হবে। বৈধ বা বাতিল ঘোষিত কোনো প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বিষয়ে ৭ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত জেলা সমবায় কর্মকর্তা, চাঁদপুরের নিকট আপিল দায়ের করা যাবে। আপিলের শুনানি ও সিদ্ধান্ত প্রদান করা হবে ১২ জুলাই। ১৩ জুলাই বৈধ প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৪ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে। একই দিন দুপুর আড়াইটায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ এবং প্রতীক বরাদ্দ করা হবে।

Model Hospital

আগামী ২১ জুলাই সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ট্রাকঘাট নতুনবাজারস্থ সমিতির কার্যালয়ে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটগ্রহণ শেষে তাৎক্ষণিকভাবে ভোট গণনা করে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

তফসিল ঘোষণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. শাহাবুদ্দিন, জেলা সমবায় কার্যালয়ের সহকারী নিবন্ধক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, সদর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনার নাজমুন্নাহার, জেলা সমবায় কার্যালয়ের পরিদর্শক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশনার আলমগীর হোসেন, চাঁদপুর জেলা বালুবাহী নৌযান মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো. মিজানুর রহমান খান, সহ-সভাপতি হুমায়ুন কবির স্বপন, সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ, কোষাধ্যক্ষ মো. কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, সদস্য ফরিদ আহমেদ খান শিপন, মো. আলমগীর, মো. জাকির খান, মো. ফারুক হোসেন, মো. মুকবুল হোসেন গাজী, আব্দুর রশিদ পাটোয়ারী ও মো. রুহুল আমিন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (সাবেক) আ. রব ভূঁইয়া, সাবেক সহ-সভাপতি আহসান উল্লাহ খান, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির আহমেদ ভূঁইয়া।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।