বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে পুকুরে ডুবে শিক্ষকের একমাত্র সন্তানের মৃত্যু

এস এম ইকবাল প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৯:৩৪ পিএম
ফরিদগঞ্জে পুকুরে ডুবে শিক্ষকের একমাত্র সন্তানের মৃত্যু
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পুকুরে ডুবে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশু ইসলামপুর শাহ ইয়াছিন ফাযিল মাদ্রাসার আরবি বিভাগের প্রভাষক মাওলানা মাহবুবুল আলমের একমাত্র ছেলে।
সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নিজ বাড়ির পাশের পুকুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শিশুটি বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিল। একপর্যায়ে সবার অজান্তে পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে তাকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
একমাত্র সন্তানের অকাল মৃত্যুতে মাওলানা মাহবুবুল আলম ও তাঁর পরিবারের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবর ছড়িয়ে পড়লে আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী শোক প্রকাশ করেন।
পারিবারিক সূত্রে আরও জানা গেছে, সোমবার বাদ মাগরিব স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষে শিশুটির দাফন সম্পন্ন করা হবে।
শিশুটির মৃত্যুতে বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তারা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।