বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধই পারে মাদক ও কিশোর অপরাধ রুখতে: পুলিশ সুপার রবিউল হাসান

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধই পারে মাদক ও কিশোর অপরাধ রুখতে: পুলিশ সুপার রবিউল হাসান

মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ ও কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণ ও পুলিশের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে চাঁদপুরের কচুয়ায় কমিউনিটি পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেলে কচুয়া থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মোঃ রবিউল হাসান। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সমাজ থেকে মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ ও কিশোর গ্যাং সংস্কৃতি নির্মূলে শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থার উদ্যোগই যথেষ্ট নয়,প্রয়োজন সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতনতা।

পুলিশ সুপার বলেন, প্রতিটি পরিবার, মহল্লা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, সন্ধ্যার পর আপনার ছেলে-মেয়েরা কোথায় যায়, কার সঙ্গে মিশে—সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে। পরিবার থেকেই সচেতনতা শুরু করতে হবে। সন্তানদের প্রতি দায়িত্বশীল নজরদারি থাকলে অনেক অপরাধ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং ও পুলিশের পারস্পরিক সহযোগিতা সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মাদক, কিশোর অপরাধসহ সকল ধরনের অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির কোনো বিকল্প নেই।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কচুয়া পৌরসভা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি মোঃ বিল্লাল হোসেন মজুমদার।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা পরিচালনা করেন ওসি (তদন্ত) রাশেদুল হক।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, কচুয়া পৌর কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সহ-সভাপতি আলমগীর হোসেন সেলিম পাটোয়ারী, মাওলানা আবু হানিফ, সমাজসেবক প্রতিনিধি শাহ মোহাম্মদ জাকির উল্যাহ শাজিলী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম, ফখরুল ইসলাম, কচুয়া মডেল মসজিদের ইমাম মোঃ ফরহাদ হোসেনসহ কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির নেতৃবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

সভায় বক্তারা মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি জনগণ ও পুলিশের মধ্যে আস্থা ও সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তারা একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত কচুয়া গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।