শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

আদালত চত্বরে মমতাজ গাইলেন ‘বুকটা ফাইট্টা যায়’

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৮:৪৭ পিএম
আদালত চত্বরে মমতাজ গাইলেন ‘বুকটা ফাইট্টা যায়’

আদালত থেকে বের করে নেওয়ার সময় এক ব্যতিক্রমী ঘটনার জন্ম দেন মমতাজ। হাতকড়া, হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় তাকে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে নামানোর সময় উপস্থিত কয়েকজন কৌতূহলী ব্যক্তি জানতে চান, ‘কে উনি?’ জবাবে মমতাজ নিজেই তার জনপ্রিয় গান ‘বুকটা ফাইট্টা যায়’ গেয়ে ওঠেন। পরে উপস্থিত আরও কয়েকজনকে গানটির অংশ গাইতে দেখা যায়। ঘটনাটি মুহূর্তেই আদালত প্রাঙ্গণে আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

সাবেক সংসদ সদস্য ও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমকে জুলাই আন্দোলন ঘিরে দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর মিরপুর এলাকায় মোক্তার হোসেনকে গুলিবিদ্ধ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মমতাজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজিজুল হক।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ দাবি করে, সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং আন্দোলন চলাকালে তিনি তৎকালীন সরকারের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। তদন্তে তার সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে বলেও আদালতকে জানানো হয়।

Model Hospital

অন্যদিকে, মমতাজের আইনজীবীরা গ্রেপ্তার দেখানোর বিরোধিতা করে বলেন, মামলার ঘটনায় তার সম্পৃক্ততার কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। তারা দাবি করেন, একই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় তাকে আসামি করা হয়েছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়া তিনি ইতোমধ্যে বিভিন্ন মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিনও পেয়েছেন বলে উল্লেখ করেন আইনজীবীরা।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত মমতাজকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট মিরপুরের সুইমিংপুল ও ফায়ার সার্ভিস সড়ক এলাকায় সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হন মোক্তার হোসেন। চিকিৎসা শেষে তিনি হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, মমতাজ বেগম ২০০৮ সালে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে জয়ী হন তিনি। তবে ২০২৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে পরাজিত হওয়ার পর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তাকে কম দেখা যায়। গত বছরের ১২ মে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

 

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital