শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

৩য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

যে চলে গিয়েও রয়ে গেছেন সবার হৃদয়ে, স্মরণে সাজিদুল করিম মিয়াজী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৮:৩০ পিএম
যে চলে গিয়েও রয়ে গেছেন সবার হৃদয়ে, স্মরণে সাজিদুল করিম মিয়াজী

আজ ২৬ জুন শিক্ষানবিশ আইনজীবী মরহুম সাজিদুল করিম মিয়াজী-এর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। ২০২৩ সালের এই দিনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাজীগঞ্জ বিসমিল্লাহ জেনারেল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৩২ বছর।

সাজিদুল করিম মিয়াজী ১৯৯০ সালের ১১ অক্টোবর চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম হাটিলা গ্রামের করিম কোম্পানি বাড়ি (মিয়াজী বাড়ি)-তে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন মরহুম হাজী শামসুল হক মিয়াজীর পুত্র এবং মরহুম আব্দুল করিম মিয়াজীর পৌত্র।

শিক্ষাজীবনে তিনি এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ঢাকা জজ কোর্টে শিক্ষানবিশ আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। কর্মনিষ্ঠা, ভদ্র আচরণ ও বিনয়ী স্বভাবের কারণে তিনি সহকর্মী ও পরিচিতজনদের কাছে সবার প্রিয় ছিলেন।

তিন ভাই ও পাঁচ বোনের পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ তথা অষ্টম সন্তান ছিলেন সাজিদুল করিম মিয়াজী। তাঁর অকাল মৃত্যু পরিবার, আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি করে।

Model Hospital

তাঁর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।