শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় সিঁদকেটে বৃদ্ধা হত্যার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই খুনি গ্রেফতার, লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
কচুয়ায় সিঁদকেটে বৃদ্ধা হত্যার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই খুনি গ্রেফতার, লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার
চাঁদপুরের কচুয়ার আলোচিত বৃদ্ধা ফাতেমা বেগম হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই একজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসামির কাছ থেকে লুট হওয়া স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করা হয়েছে।গ্রেফতারকৃত আসামি ওই গ্রামের মিয়াজী বাড়ির বগু মিয়ার ছেলে ইয়াছিন (২২)।
সোমবার উপজেলার পাথৈর ইউনিয়নে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে দ্রুততম সময়ে আসামি গ্রেফতার করায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ আজিজুল ইসলাম ও সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সাজ্জাদ হোসেন ধন্যবাদ জানিয়েছেন কচুয়া বাসী।
গত রবিবার রাতে পাথৈর ইউনিয়নের বেরকোটা গ্রামে সিঁদ কেটে ঘরে ঢুকে বৃদ্ধা ফাতেমা বেগমকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পরপরই কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আজিজুল ইসলামের নির্দেশে মাঠে নামে সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সাজ্জাদ হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা । গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আজ ১২ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে লুট করা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
এলাকাবাসী জানান, গত দুই দিনে দুটি আলোচিত হত্যাকাণ্ড জরিত আসামিদেরকে দ্রুততম গ্রেপ্তার করে কচুয়ার এক নজিরবিহীন ইতিহাস করেছেন সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সাজ্জাদ হোসেন।
কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, কচুয়ায় কোনো অপরাধী পার পাবে না। অপরাধ দমনে পুলিশ সব সময় তৎপর রয়েছে।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।