বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় সিঁদকেটে বৃদ্ধা হত্যার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই খুনি গ্রেফতার, লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
কচুয়ায় সিঁদকেটে বৃদ্ধা হত্যার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই খুনি গ্রেফতার, লুট হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার
চাঁদপুরের কচুয়ার আলোচিত বৃদ্ধা ফাতেমা বেগম হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই একজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আসামির কাছ থেকে লুট হওয়া স্বর্ণালংকারও উদ্ধার করা হয়েছে।গ্রেফতারকৃত আসামি ওই গ্রামের মিয়াজী বাড়ির বগু মিয়ার ছেলে ইয়াছিন (২২)।
সোমবার উপজেলার পাথৈর ইউনিয়নে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে দ্রুততম সময়ে আসামি গ্রেফতার করায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোঃ আজিজুল ইসলাম ও সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সাজ্জাদ হোসেন ধন্যবাদ জানিয়েছেন কচুয়া বাসী।
গত রবিবার রাতে পাথৈর ইউনিয়নের বেরকোটা গ্রামে সিঁদ কেটে ঘরে ঢুকে বৃদ্ধা ফাতেমা বেগমকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ সময় ঘরে থাকা স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পরপরই কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আজিজুল ইসলামের নির্দেশে মাঠে নামে সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সাজ্জাদ হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা । গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আজ ১২ ঘণ্টার মধ্যেই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত একজনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যে লুট করা স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়।
এলাকাবাসী জানান, গত দুই দিনে দুটি আলোচিত হত্যাকাণ্ড জরিত আসামিদেরকে দ্রুততম গ্রেপ্তার করে কচুয়ার এক নজিরবিহীন ইতিহাস করেছেন সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সাজ্জাদ হোসেন।
কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, কচুয়ায় কোনো অপরাধী পার পাবে না। অপরাধ দমনে পুলিশ সব সময় তৎপর রয়েছে।

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।