শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

মহামায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ সভাপতি নির্বাচিত হলেন ওয়াসিম হোসেন

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৬ পিএম
মহামায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহ সভাপতি নির্বাচিত হলেন ওয়াসিম হোসেন
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ৩৩নং মহামায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ সভাপতি নির্বাচিত হলেন শাহমাহমুদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম হোসেন।
গত ২৯ জুন (সোমবার) উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সিদ্ধান্তের আলোকে উক্ত ম্যানেজিং কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। এতে সরকারি নির্দেশনা মেনে ১২ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটির অনুমোদন দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি এস এম এন জামিউল হিকমা।
মোঃ ওয়াসিম হোসেন বলেন, আমার ওপর যে আস্থা রাখা হয়েছে, সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করে মহামায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।
নবগঠিত কমিটির অন্যান্যদের মধ্যে- সভাপতি পদে কবির হোসেন রনি, পদাধিকার বলে এই কমিটির সদস্য সচিব মনোনীত হয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহীনা আক্তার। এছাড়াও কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- মোঃ সাইফুল ইসলাম, রাবেয়া আক্তার, সাথী আক্তার, মোস্তফা পাটওয়ারী, মাওলানা ওয়াজিউল্যাহ, সুমন বকাউল, আকলিমা আক্তার, শারমিন আক্তার ও মোঃ হাবিবুর রহমান। নবগঠিত কমিটির সদস্যরা বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং অবকাঠামোগত প্রসারে একযোগে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জানা যায়, এর আগে ২০২৪ সালের ২১ আগস্ট প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিদ্যালয়-২ শাখার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি ভেঙে দেয়া হয়।
এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন উপসচিব আক্তারুন্নাহার।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।