শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুরে কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বৃত্তি পরীক্ষায় উদয়ন শিশু বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৫ পিএম
চাঁদপুরে কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বৃত্তি পরীক্ষায় উদয়ন শিশু বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান

চাঁদপুরে কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বৃত্তি পরীক্ষায় উদয়ন শিশু বিদ্যালয়ের ৩৭ শিক্ষার্থীকে সনদ ও সম্মাননা তুলে দেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়।

চাঁদপুরে কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চাঁদপুর প্রেস ক্লাব কতৃর্ক প্রতিষ্ঠিত উদয়ন শিশু বিদ্যালয়ের ৩৭ জন শিক্ষার্থীর মাঝে নগদ অর্থ,বৃত্তির সনদ ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে চাঁদপুর উদয়ন শিশু বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃত্তির সনদ ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে উদয়ন শিশু বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি এবং বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুভাষ চন্দ্র রায় বলেন, আমরা চাই আমাদের সন্তানরা ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করুক। আজকের এই বৃত্তি তাদের আগামী দিনের পথচলায় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া এবং তাদের পড়াশোনা ও সার্বিক বিষয়ের প্রতি নিয়মিত খোঁজখবর রাখা।

Model Hospital

সভাপতির বক্তব্যে প্রেস ক্লাব সভাপতি সোহেল রুশদী বলেন, আমাদের জন্য এটি অত্যন্ত গর্বের বিষয় যে, এ বছর বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় উদয়ন শিশু বিদ্যালয়ের ৩৭ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে। এই সাফল্যের পেছনে যেমন শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা রয়েছে, তেমনি অভিভাবকদের অক্লান্ত শ্রম ও ত্যাগও সমানভাবে প্রশংসার দাবিদার।

তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন বিদ্যালয়ে এসে সন্তানদের জন্য অপেক্ষা করা মায়েদের আন্তরিকতা ও যত্ন শিশুদের ভালো ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন, সম্ভাবনা, বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন এবং শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে এ বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ৩৭ জন কৃতি শিক্ষার্থীর হাতে নগদ অর্থ, বৃত্তির সনদ ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উদয়ন শিশু বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হোসেন। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, শিক্ষার্থীসহ সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।