শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত সিদরাতুল মুনতাহা ডাক্তার হতে চায়

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৩ পিএম
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত সিদরাতুল মুনতাহা ডাক্তার হতে চায়

ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত সিদরাতুল মুনতাহার ফাইল ফটো।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৬-এর ফলাফলে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি অর্জন করে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থী সিদরাতুল মুনতাহা (রাইসা)। তার এই কৃতিত্বে পরিবার, বিদ্যালয় ও এলাকায় আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

​রাইসা কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে এবারের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মেধার স্বাক্ষর রাখে। তার এই গৌরবজনক সাফল্যে রাইসার শিক্ষক, সহপাঠী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

​রাইসার বাবা কচুয়া উপজেলা বিএনপির নেতা মনির প্রধান তার কন্যার সাফল্যে আনন্দিত। তিনি বলেন, রাইসার এই অর্জনের পেছনে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্তরিক পাঠদান ও সঠিক দিকনির্দেশনা, পরিবারের সদস্যদের অকুন্ঠ সমর্থন এবং শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া ও উৎসাহ বড় ভূমিকা রেখেছে। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক-শিক্ষিকার প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

​ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে সিদরাতুল মুনতাহা (রাইসা) জানায়, সে বড় হয়ে চিকিৎসক হতে চায়। আত্মমানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে দেশ ও জাতির কল্যাণে একজন সৎ, যোগ্য ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠাই তার স্বপ্ন। সে তার এই অর্জনে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে সবার কাছে দোয়া কামনা করেছে।

Model Hospital

​এদিকে, রাইসার এই অসাধারণ সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাংবাদিক সমাজ এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।