বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর রঘুনাথপুর–বালিয়া জিসি সড়ক মেরামত কাজে অনিয়মের প্রমাণ, নিম্নমানের কাজ অপসারণের নির্দেশ

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:১২ পিএম
চাঁদপুর রঘুনাথপুর–বালিয়া জিসি সড়ক মেরামত কাজে অনিয়মের প্রমাণ, নিম্নমানের কাজ অপসারণের নির্দেশ

চট্টগ্রাম বিভাগীয় গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়ক প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ প্রকল্পের আওতায় চাঁদপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর–বালিয়া জিসি সড়কের সংস্কার ও মেরামতকাজ চলমান রয়েছে। তবে কাজ বাস্তবায়নে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে তদন্ত করে নিম্নমানের কাজের সত্যতা পেয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) চাঁদপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের নির্দেশে এবং এলজিইডি চাঁদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলীর মোঃ মনোয়ার উদ্দিনের পরামর্শে চাঁদপুর জেলা এলজিইডির মান নিয়ন্ত্রণ ল্যাবরেটরির সহযোগিতায় চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাহাত আমিন পাটোয়ারী, সহকারী প্রকৌশলী মো. তাহসিনুল হোসেন মুকুল এবং উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. সজীব হোসেন নির্মাণাধীন সড়ক পরিদর্শন ও তদন্ত করেন।

তদন্তে সড়কের প্রশস্তকরণের কিছু অংশে নিম্নমানের কাজের আলামত পাওয়া যায়। পরে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে অবিলম্বে ত্রুটিপূর্ণ অংশ অপসারণ করে প্রকল্পের নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী পুনরায় কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে নিম্নমানের কাজের অভিযোগে ঠিকাদার এবং দায়িত্বরত উপসহকারী প্রকৌশলীর কাছে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।

এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রকৌশলী মো. রাহাত আমিন পাটোয়ারী বলেন, বর্তমান সরকার টেকসই ও মানসম্মত উন্নয়নকাজ বাস্তবায়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। জনগণের অর্থে বাস্তবায়িত প্রতিটি প্রকল্পে গুণগত মান নিশ্চিত করা আমাদের অঙ্গীকার। কোনো ঠিকাদার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিডিউল বহির্ভূত বা নিম্নমানের কাজ করলে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। যেখানে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যাবে, সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজন হলে ত্রুটিপূর্ণ কাজ ভেঙে পুনরায় সিডিউল অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করতে বাধ্য করা হবে।

Model Hospital

তিনি আরও বলেন, মানসম্মত ও টেকসই অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে জনগণকে দীর্ঘমেয়াদি সেবা নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে এলজিইডি কঠোরভাবে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও নির্মাণকাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রকল্পের প্রতিটি কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত মনিটরিং চলবে এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।