মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

দৈনিক খোলা কাগজ-এর বিশেষ প্রতিনিধি কাদের পলাশ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:২২ পিএম
দৈনিক খোলা কাগজ-এর বিশেষ প্রতিনিধি কাদের পলাশ

নীল সাগর গ্রুপের মালিকানাধীন জাতীয় দৈনিক খোলা কাগজ এর বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন লেখক ও লোকগবেষক সাংবাদিক কাদের পলাশ। ১ জুলাই ২০২৬ খ্রি. থেকে তার এ পদোন্নতি কার্যকর হয়। ১১ জুলাই পত্রিকাটির নির্বাহী সম্পাদক মো. মনির হোসেন কর্তৃক স্বাক্ষরিত পদোন্নতিপত্রের মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে। ২০২০ সালে তিনি পত্রিকাটিতে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে পদোন্নতি পান।

কাদের পলাশ পরীক্ষামূলক সম্প্রচারে থাকাকালীন সময় থেকে স্টার নিউজ-এ স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করছেন ০১ নভেম্বর থেকে। এর আগে ৩০ অক্টোবর তিনি দেশের জনপ্রিয় স্যাটেলাইট চ্যানেল যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার (চাঁদপুর) হিসেবে ৪বছর দায়িত্ব পালন শেষে অব্যহতি নেন।

তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিক কাদের পলাশ বলেন, জেলা শহরে কাজ করে জাতীয় প্রথম শ্রেণীর একটি পাঠকপ্রিয় পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি হওয়া নিশ্চয় আনন্দের। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি। আশা করছি, আমার মেধা শ্রম কাগুজে পত্রিকার পাঠকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবো। এক্ষেত্রে প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ ও বিভিন্ন দপ্তর সহ চাঁদপুরের জনমানুষের সহযোগিতা কামনা করছি।

কাদের পলাশ একাধারে কবি, গীতিকবি, গল্পকার, লোকগবেষক, সাংবাদিক ও সংগঠক। সাহিত্য একাডেমি, চাঁদপুর এর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কাদের পলাশের কিশোর বয়সে লেখালেখির হাতেখড়ি হলেও তার সাহিত্য কর্ম পত্রিকায় প্রথম প্রকাশ ২০০৭ সালে। একই বছর সাংবাদিকতায় পথ চলা শুরু হলেও ২০০৯ সাল থেকে মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। তিনি ২০১২ সাল থেকে টেলিভিশনে সাংবাদিকতা শুরু করেন।

Model Hospital

২০১৯-২০২৪ পর্যন্ত দৈনিক শপথ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক বর্তমানে পত্রিকাটির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৪ সাল থেকে চাঁদপুর প্রেসক্লাব ও টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছেন। ২০২২ সাল থেকে চাঁদপুর টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

চাঁপুর ইতিহাস ঐহিত্য পরিষদের সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন কাদের পলাশ। (২০১৫-২০১৭) চাঁদপুর পৌরসভা কর্তৃক পরিচালিত একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩ বছর শিক্ষকতা করেন। তিনি অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর এবং এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। কাদের পলাশ চাঁদপুর শহরে স্থায়ী বসবাস করলেও তার পৈত্রিক বাড়ি কচুয়ার বাসাবাড়িয়া গ্রামে। তার লেখা গল্প, কবিতা, উপন্যাস ও গবেষণাধর্মী বই প্রকাশ হয়েছে ১২টি। অনূপ্রাণন তরুণ পাণ্ডুলিপি পুরস্কার-২০২৪ সহ সাহিত্যচর্চা ও সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একাধিক পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন।

অতীতের অভিজ্ঞতা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থিতা ঘিরে স্থানীয় অঙ্গনে আলোচনা

মৈশাদীর চেয়ারম্যান পদে এবার কারা আলোচনায়? উঠে আসছে মানিক পাটোয়ারীর নাম

মাঈনুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৪ এম
মৈশাদীর চেয়ারম্যান পদে এবার কারা আলোচনায়? উঠে আসছে মানিক পাটোয়ারীর নাম

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬ নম্বর মৈশাদী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক পাটোয়ারী। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর অতীত অভিজ্ঞতা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সামাজিক সেবায় সম্পৃক্ততা ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন, নেতাকর্মী ও ভোটারদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

মনিরুজ্জামান মানিক পাটোয়ারী চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি। এর আগে তিনি মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। দুই পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবায় নতুন উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন তাঁর সমর্থকেরা।

স্থানীয় সূত্র ও তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী, চেয়ারম্যান থাকাকালে ইউনিয়নের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা এবং ডিজিটাল সেবার প্রসারে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি সামাজিক ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানান তাঁর অনুসারীরা।

করোনাকালে সহায়তার দাবি

Model Hospital

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের সময় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় আনছেন তাঁর সমর্থকেরা। তাঁদের দাবি, ওই সময়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ‘সততা স্টোর’-এর মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী, ওষুধ ও নগদ অর্থ দিয়ে অসহায় মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছিলেন মানিক পাটোয়ারী। তাঁদের মতে, সংকটকালীন এসব উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের একটি অংশের মধ্যে তাঁর সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে।

উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিয়ে প্রত্যাশা

মৈশাদী ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সমর্থকদের মধ্যে আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁকে ঘিরে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁর অনুসারীরা। তবে নির্বাচনে তাঁর চূড়ান্ত প্রার্থিতা এবং অন্যান্য প্রার্থীর অবস্থান সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য ছাড়া নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এদিকে ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয়দের প্রত্যাশার মধ্যে রয়েছে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নাগরিক সেবা সহজ করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সমস্যা দ্রুত সমাধান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর প্রত্যাশা

মনিরুজ্জামান মানিক পাটোয়ারীর সমর্থকদের প্রত্যাশা, জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর পূর্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মৈশাদী ইউনিয়নের উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হবে। তবে নির্বাচনে প্রার্থীদের চূড়ান্ত অবস্থান, তাঁদের পরিকল্পনা এবং ভোটারদের মতামত নির্বাচনী প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে আরও স্পষ্ট হবে।

সব মিলিয়ে, আসন্ন মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে চেয়ারম্যান পদে মনিরুজ্জামান মানিক পাটোয়ারীকে নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে। তাঁর অতীত কর্মকাণ্ড, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও জনসম্পৃক্ততার বিষয়গুলো নির্বাচনী আলোচনায় কতটা গুরুত্ব পায়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলোর জন্য।