বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

নামাজে যেতে বাধা? মসজিদের মূল প্রবেশপথে বেড়া

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৯ এম
নামাজে যেতে বাধা? মসজিদের মূল প্রবেশপথে বেড়া

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি মসজিদের প্রধান প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মুসল্লিদের মসজিদে যাতায়াতে দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

সোমবার (২০ জুলাই) উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ভূঁইয়াকান্দি দক্ষিণপাড়া বাইতুল আমান জামে মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। একই গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মসজিদের প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮২ সালে তিন ভাই—শফিকুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম ও মনির হোসেনের সম্মতিতে মসজিদের নামে তিন শতাংশ জমি দান করা হয়। পরে রেকর্ড-সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে শফিকুল ইসলাম ও মনির হোসেন আরও এক শতাংশ জমি মসজিদের নামে দান করেন। দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতেই মসজিদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত সাত-আট বছর ধরে রফিকুল ইসলাম মসজিদের বিভিন্ন উন্নয়নকাজে বাধা দিয়ে আসছেন। এর আগে মসজিদের গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি তাদের। সর্বশেষ তিনি প্রধান প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া দিয়ে মুসল্লিদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেছেন।

Model Hospital

মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসা কয়েকজন মুসল্লি জানান, প্রতিদিনের মতো নামাজ পড়তে এসে প্রবেশপথে বাঁশের বেড়া দেখতে পান তারা। এতে মসজিদে প্রবেশ ও বের হতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তারা দ্রুত ও শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান দাবি করেন।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাহানুর আলম বলেন, প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়ায় মুসল্লিদের নিয়মিত যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

কমিটির সভাপতি ইদ্রিস আলী প্রধান বলেন, তিন ভাইয়ের দান করা জমিতেই মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সম্প্রতি রফিকুল ইসলাম দাবি করেন, মসজিদের একটি অংশ তার জমির ওপর নির্মিত। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো সমাধান হয়নি। পরে হঠাৎ করেই প্রবেশপথে বেড়া দেওয়া হয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি মসজিদের জায়গায় নয়, নিজের জমিতে বেড়া দিয়েছেন। তার দাবি, মসজিদের ভেতর ও বাইরের কিছু অংশ তার মালিকানাধীন। এছাড়া মসজিদ কমিটির লোকজন তাকে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন বলে জানান।

মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম মনি বলেন, কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথ বা জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে থাকলে প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে। উভয় পক্ষ যোগাযোগ করলে তাদের সঙ্গে কথা বলে শান্তিপূর্ণ সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।