বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে ব্যবসায়ীর বসতঘরে দুর্ধর্ষ চুরির অভিযোগ, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের দাবি

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৫:৪৬ পিএম
হাজীগঞ্জে ব্যবসায়ীর বসতঘরে দুর্ধর্ষ চুরির অভিযোগ, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটের দাবি

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ভাউড়পাড় (আইছের বাড়ি) এলাকায় এক ব্যবসায়ীর বসতঘরে গভীর রাতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং প্রায় ৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী বাবুল (৬০) জানান, তিনি ব্যবসায়িক প্রয়োজনে অধিকাংশ সময় ঢাকায় অবস্থান করেন। গত ২০ জুলাই তার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে চিকিৎসার জন্য মেয়ের বাসায় চলে গেলে বাড়িটি ফাঁকা ছিল। এই সুযোগে গত ২৩ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে দুর্বৃত্তরা বসতঘরের মূল ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, চোরেরা ঘরের স্টিলের আলমারির তালা ভেঙে সেখানে থাকা নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রায় ৬ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। এছাড়া ঘরের বিভিন্ন কক্ষ তছনছ করে আরও মূল্যবান মালামাল খোঁজার চেষ্টা চালায়। পরদিন সকালে ঘটনাটি জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা ঘরে এসে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হাজীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, চোরদের দ্রুত শনাক্ত এবং লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারের পাশাপাশি জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Model Hospital

এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল মান্নান বলেন, “এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।