বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে সাংবাদিকের বাগানে প্রতিপক্ষের হানা, প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩০ এম
ফরিদগঞ্জে সাংবাদিকের বাগানে প্রতিপক্ষের হানা, প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক সাংবাদিকের বাগানে ঢুকে বেড়া ও গাছগাছালী নষ্ট করে প্রতিপক্ষরা। এতে বাধা দিলে দৈনিক গ্লোবাল নেশন নির্বাহী সম্পাদক ও স্বদেশ ভাবনা পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক একেএম মোছলেহ উদ্দিনের উপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষরা।

জানাযায়, প্রতিপক্ষ শ্রীকালিয়া সর্দার বাড়ির মৃত আ. রশিদ সর্দারের ছেলে মোরশেদ আলম (৩৮), খোরশেদ আলম (৪০) তার স্ত্রী সেলিনা বেগম, আ. রশিদের স্ত্রী জাহানারা বেগমসহ ৮/১০ জন মিলে এ হামলা চালায়।

দৈনিক গ্লোবাল নেশনের নির্বাহী সম্পাদক ও স্বদেশ ভাবনা পত্রিকার সম্পাদক সাংবাদিক একেএম মোছলেহ উদ্দিনের উপর হামলার ঘটনায় এলাকায় তীব্র নিন্দা জানাতে দেখা যায়।

গত রবিবার উপজেলার ৫ নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের শ্রীরকালিয়া সর্দার বাড়ীতে এ ঘটনা ঘটে। তারা মূলত জোরপূর্বক সাংবাদিকের সখের বাগানে প্রবেশ করে ফল ফলাদি গাছ গাছড়া কেটে নেওয়ার চেষ্টা করলে এতে বাঁধা দিলে তারা সাংবাদিকের উপর অর্তকিত হামলা চালায়। পাশ্ববর্তী বাসিন্দা মোহাম্মদউল্ল্যাহ, বিল্লাল হোসেন ও মৌসুমী আক্তার ডাক চিৎকার করলে তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরন করে। সেখানে ৪ দিন চিকিৎসারত অবস্থায় থেকে বাড়ীতে অবস্থান নেন।

Model Hospital

সাংবাদিক মোছলেউদ্দিন বলেন, গত রবিবার পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে নারী পুরুষ ও এলাকার কিছু চিহ্নিত মাদকসেবি মিলে আমার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে বাগানের বেড়া ভেঙ্গে তচনচ করেছে। এতে আমি বাধার চেষ্টা করলে মাথায়, বুকে, হাতে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে যখম করে। বাড়ীর লোকজনের সহযোগিতা আমি গত ৪ দিন চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম। হামলাকারীরা ইতিপূর্বে আমার জায়গা জোরপূর্বক প্রবেশ করার চেষ্টা করলে আমি চাঁদপুর অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌ: কা: বি: ১৪৫ ধারা নিষেধাজ্ঞা মামলা দায়ের করি যার দরখাস্ত নং ৪২৪/২৪। উক্ত আদালতের রায় আমার পক্ষে আসে। এর পরেও তারা উক্ত জায়গা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা অব্যাহত রেখে এ হামলা চালায়। আমি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচার চাই।

আহত সাংবাদিকের বড় ভাই শামসুদ্দিন রাজা বলেন, আমার ছোট ভাই সাংবাদিক মোছলেউদ্দিনকে আমরা তিন ভাই মিলে উক্ত জায়গাটি রেজিষ্ট্রেশন করে দেই। আমার মেজো ভাই আবুল খায়েরের ইন্দ্রনে প্রতিপক্ষরা মিলে এখন আমার ছোট ভাইয়ের জায়গা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা লিপ্ত হয়ে তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। যার তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছি।

এদিকে এলাকার সচেতনমহল সাংবাদিক মোছলে উদ্দিনের উপর এ অতর্কিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।