বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রযুক্তি ও সাংবাদিকতার মেলবন্ধনে ফরিদগঞ্জে পিআইবি’র বিশেষ প্রশিক্ষণে

একজন সাংবাদিক যা খুশি তা লিখে দিতে পারেন না : মোতাহার হোসেন পাটওয়ারী

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪০ এম
একজন সাংবাদিক যা খুশি তা লিখে দিতে পারেন না : মোতাহার হোসেন পাটওয়ারী

ফরিদগঞ্জে পিআইবি’র উদ্যোগে ফরিদগঞ্জ ও হাইমচর উপজেলার সাংবাদিকদের নিয়ে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘মোবাইল জার্নালিজম’ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মোতাহার হোসেন পাটওয়ারী সিআইপি।

প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর উদ্যোগে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ ও হাইমচর উপজেলার সাংবাদিকদের নিয়ে তিন দিনব্যাপী ‘মোবাইল জার্নালিজম’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই কর্মশালার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও আন্বিয়া-ইউনুছ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন পাটওয়ারী সিআইপি (ট্যাক্স)।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোতাহার হোসেন পাটওয়ারী বলেন, প্রযুক্তি ও আধুনিক ধারার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে যেতে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এই প্রশিক্ষণ আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। হাতে কলম কিংবা কি-বোর্ড থাকলেই একজন সাংবাদিক যা খুশি তা লিখে দিতে পারেন না। তাকে বহু তথ্য যাচাই-বাছাই ও পেশাগত নীতিমালা মেনেই প্রতিবেদন তৈরি করতে হয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে তৃণমূলের গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য মোবাইল জার্নালিজম অত্যন্ত সময়ের দাবি। পিআইবি শুধু ফরিদগঞ্জ ও হাইমচর নয়, দেশজুড়ে মফস্বল সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে এভাবে এগিয়ে আসবে বলে আশা করি। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান যখন দেশ ও মানুষের কল্যাণে আসবে, তখনই এমন আয়োজনের প্রকৃত সফলতা অর্জিত হবে।
ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পিআইবির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সমন্বয়কারী জিলহাজ উদ্দিন নিপুন।
এ ছাড়া অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রশিক্ষণের প্রথম দিনের ট্রেইনার ও ব্র্যাকের কমিউনিকেশন স্পেশালিস্ট সাফাত রহমান, হাইমচর প্রেসক্লাবের সভাপতি মহসীন মিয়া এবং ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মামুনুর রশিদ পাঠান।
এর আগে অতিথি ও প্রশিক্ষকদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন স্থানীয় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ।
কর্মশালার প্রথম দিনে ব্র্যাকের কমিউনিকেশন স্পেশালিস্ট সাফাত রহমান উপস্থিত সাংবাদিকদের মোবাইল জার্নালিজমের মৌলিক ধারণা, প্রয়োজনীয় ডিভাইস ব্যবহার, স্টোরিবোর্ড তৈরি ও শট নির্বাচন বিষয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ দেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।