শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

এদেশের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা এখনো ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত : কেন্দ্রীয় মহা-সচিব আইউব আলী হাওলাদার

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০২ পিএম
এদেশের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা এখনো ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত : কেন্দ্রীয় মহা-সচিব আইউব আলী হাওলাদার
‘এদেশের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা এখনো তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে’ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটির মহা-সচিব মোঃ আইউব আলী হাওলাদার। তিনি বর্তমান সরকার বলেন ‘সরকার ফ্যামিলি কার্ড দিচ্ছে, কিন্তু কয়টা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরিবার এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় এসেছে। আশা করছি মাননীয় আমাদের প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে খোঁজখবর নিবেন। ‌না হয় আওয়ামী লীগকে যেমন শেখ হাসিনার কাছে লোকেরা ডুবিয়েছে, তেমনি বিএনপিকেও একদিন প্রধানমন্ত্রীর কিছু কাছের লোকেরা ডোবাবে।
১ আগস্ট শনিবার দুপুরে চাঁদপুর শহরের ওয়ারলেস এলাকায় জাতীয় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংস্থার উদ্যোগে জেলা প্রশাসক কর্তৃক বরাদ্দকৃত অন্ধদের মাঝে (জা.আর) চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।
আইউব আলী হাওলাদার বলেন, আমাদের বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান। তার স্ত্রী এবং একমাত্র কন্যা উচ্চ শিক্ষিত। আমরা মনে করি তার জীবনে আর চাওয়া পাওয়ার কিছু নাই। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর আশেপাশে যারা রয়েছে, তাদের অনেকেই ভালো চিন্তার মানুষ না। তারা প্রধানমন্ত্রীকে সঠিকভাবে সহযোগিতা করছে না।
তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় যে দুজন মন্ত্রী দায়িত্ব পেয়েছেন তারা আসলে কি আসলে সমাজকল্যাণমূলক কাজ করার যোগ্যতা রাখেন। আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটা ভেবে দেখবেন। জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির উপর অত্যাচার-নিপীড়ন চালানো হচ্ছে। আমরা আশা করি প্রধানমন্ত্রী এটাকে নিজের হাতে দমন করবেন। আমাদের উপর নিপীড়ন চালালে সারাদেশের দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা একত্রিত হবে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরাও জাতীয় প্রেসক্লাব ঘেরাও করার যোগ্যতা রাখে। কিন্তু আমরা আন্দোলন চাই না। আমরা আপনাদেরই স্বজন, আমরা এ দেশের নাগরিক আমরা আমাদের ন্যায্য অধিকার চাই।
জাতীয় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংস্থা কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব এবং চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি আইউব আলী হাওলাদার আরো বলেন, চাঁদপুরে অসংখ্য শিল্পপতি রয়েছেন। যারা চাইলেই চাঁদপুরে এমন অসংখ্য বৃক্তবান মানুষ আছে, যারা চাইলেই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষদের পাশে দাঁড়াতে পারেন। কিন্তু চাঁদপুরের মত এতো অবহেলিত প্রতিবন্ধী বাংলাদেশের আর কোন জেলার আছে বলে আমার জানা নেই। চাঁদপুরের মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় জাতীয় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংখ্যাকে এক টন চাল দিয়েছেন। আমরা সংস্থার উদ্যোগে ৪০ জন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে এই চালগুলো বিতরণ করা হয়েছে। আমরা সাংবাদিকদের মাধ্যমে সরকার তথা বিত্তশালীদের দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছি।
জাতীয় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সংস্থা চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম মাঝিরং পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি মোঃ সিদ্দিকুর রহমান মাল, হাফেজ সিরাজুল ইসলাম।  এসময় সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিক খান, কোষাধক্ষ সামিয়া আক্তার, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিবন্ধী সাইফুল ইসলামসহ অন্যান্য রাও উপস্থিত ছিলেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital