বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে ইসলামপুর ইসলামী মিশন হাসপাতালের সংস্কারকাজে অনিয়মের অভিযোগ

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০৮ পিএম
ফরিদগঞ্জে ইসলামপুর ইসলামী মিশন হাসপাতালের সংস্কারকাজে অনিয়মের অভিযোগ

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইসলামী মিশন হাসপাতালের সংস্কার এবং সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কাজের গুণগত মান নিশ্চিত না করেই নির্মাণকাজ চালানো হচ্ছে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে শনিবার (১ আগস্ট) এলাকাবাসী নির্মাণাধীন সীমানাপ্রাচীরের একটি অংশ ভেঙে দেন।

শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট, বালু ও রড ব্যবহারের অভিযোগ তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় জসিম উদ্দিন পাটওয়ারী, সোহরাব বেপারী, মোশাররফ কাজী, বাদশা মজুমদার ও ওমর ফারুক বলেন, কাজ শুরুর পর থেকেই ইট, বালু, সিমেন্ট ও রডের মান নিয়ে তারা আপত্তি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু তাতে কোনো প্রতিকার হয়নি। তাদের অভিযোগ, ঠিকাদার নিজস্ব ইচ্ছামতো নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে হাসপাতাল ও সীমানাপ্রাচীরের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার দাবি জানান।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নাজমুশ কনস্ট্রাকশন-এর পরিচালক মো. ইমন। তিনি বলেন, প্রায় ২৫ লাখ টাকার এ কাজকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিচয়ে কয়েকজন ব্যক্তি চাঁদা দাবি করছেন। তবে তিনি কারও নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। কাজের মান নিয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্মাণকাজের গুণগত মান ঠিক আছে। চাঁদা না দেওয়ায় নির্মাণাধীন দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে।

Model Hospital

শাহছুফি ইয়াছিনিয়া মজিদিয়া ট্রাস্টের সদস্য আবুল খায়ের বলেন, কাজের গুণগত মান ঠিক রয়েছে। তবে এলাকার কিছু ব্যক্তি চাঁদা দাবি করায় কাজ বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছে। তিনি বলেন, যেকোনো অবস্থায় কাজের মান বজায় রাখতে হবে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা ও পল্লী চিকিৎসক ফজলুর রহমান নির্মাণসামগ্রী সরবরাহের বিষয়টি কেন্দ্র করে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে চাঁদা দাবি করছেন।

ইসলামী মিশন হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. কামাল হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনি কাজের মান সন্তোষজনক দেখেছেন। তবে শুক্র ও শনিবার অফিস বন্ধ থাকায় ওই দুই দিন কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তার নির্দেশনা উপেক্ষা করে কাজ চালানো হয়েছে। তাই ওই সময়ের কাজ সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারেন না।

এ বিষয়ে ইসলামী ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী বলেন, কাজের গুণগত মান রক্ষা না হওয়ার বা কোনো অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital