বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নে মতলব সরকারি হাসপাতালকে শীঘ্রই ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : ড. জালাল উদ্দিন এমপি

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪১ পিএম
চিকিৎসা সেবার মানোন্নয়নে মতলব সরকারি হাসপাতালকে শীঘ্রই ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে : ড. জালাল উদ্দিন এমপি

মতলব সরকারি হাসপাতালে মাসিক সমন্বয় সভা বক্তব্য রাখছেন ড. জালাল উদ্দিন এমপি।

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩১ জুলাই বিকেল ৪টায় উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে মাসিক সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং মাসিক সমন্বয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব ড. মো. জালাল উদ্দিন।
এসময় তিনি বলেন, জনবল সংকট থাকা সত্বেও চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে রয়েছে হাসপাতালটি। তাই যত দ্রুত সম্ভব ৫০ শয্যা থেকে উন্নীত করে ১০১ শয্যা করা হবে হাসপাতালটি। হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, চিকিৎসকদের অনুমোদিত ৪০টি পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন ২০ জন। তন্মোধ্যে ৩ জন প্রেষনে অন্যত্র। শূন্য রয়েছে ২০টি পদ। এর মধ্যে সিনিয়র কনসালট্যান্ট, জুনিয়র কনসালট্যান্টও নেই। নেই এম্বুলেন্সের ড্রাইভার, স্বাস্থ্য সহকারী পদে ৫০ জন বরাদ্দ থাকলেও কর্মস্থলে রয়েছে মাত্র ১৮জন। এছাড়া তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পদেও জনবল সংকট রয়েছে। নানা সমস্যা ও প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুই উপজেলা থেকে আগত রোগীদের সঠিক ভাবে সেবা দেয়ায় হাসপাতাল কতৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ড. জালাল উদ্দিন এমপি। তিনি আরও বলেন, মানুষের শতভাগ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এ হাসপাতালের যত সমস্যা রয়েছে তা লিপিবদ্ধ করে দিবেন তা দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে ইনশাআল্লাহ।
বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুরের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা। তিনি এ হাসপাতালের কার্যক্রম দেখে চিকিৎসা কর্মকর্তা ও কর্তৃপক্ষের প্রশংসা করেন। জনবল সংকট নিরসনের জন্য তিনি বলেন, আমরা দুই সাংসদ সম্মিলিতভাবে সর্বোচ্চ কাজ করবো।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার কেএম ইশমাম, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মতলব পৌরসভার সাবেক মেয়র এনামুল হক বাদল, মতলব প্রেসক্লাবের আহবায়ক আমির খসরু, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার টিটু চন্দ্র ধর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গোলাম রায়হান। অনুষ্ঠানের শুরুতে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রজেক্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ রাজীব কিশোর বনিক।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, মেডিকেল অফিসার ডাঃ জারিন শরীফ সুপ্তি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মতলব দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান মানিকসহ হাসপাতালের মেডিকেল অফিসারবৃন্দ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।