“৪ কোটি টাকা ফেরত দিতে চান জুলহাস মিয়া”
চাঁদপুরে বন্ধ হয়ে যাওয়া যুবধারা সমবায় সমিতির কার্যক্রম পুনরায় চালুর সুযোগ চেয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. জুলহাস মিয়া। তিনি বলেছেন, সমিতির সদস্যদের প্রায় ৪ কোটি টাকা ফেরত দিতে তিনি প্রস্তুত। তবে এজন্য সমিতির কার্যক্রম পুনরায় চালু করে বিনিয়োগের অর্থ উত্তোলনের সুযোগ প্রয়োজন।

বুধবার (৫ আগস্ট) হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রেসক্লাবের সভাপতি খালেকুজ্জামান শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে জুলহাস মিয়া দাবি করেন, ২০২৩ সালে সমিতির কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী সদস্যদের সঞ্চয় এবং বিনিয়োগের কিস্তির অর্থ আত্মসাৎ করেন। এর ফলে সদস্যদের মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয় এবং একযোগে সঞ্চয়ের অর্থ উত্তোলনের চাপ বাড়তে থাকে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় কম্পিউটারসহ গুরুত্বপূর্ণ মালামাল নিয়ে যাওয়া হয় এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র নষ্ট করা হয়। একই সঙ্গে অনেক বিনিয়োগগ্রহীতা কিস্তি পরিশোধ বন্ধ করে দেওয়ায় সমিতির কার্যক্রম স্থগিত করতে বাধ্য হন।

জুলহাস মিয়ার ভাষ্য, সংকটের মধ্যেও তিনি ব্যক্তিগত সম্পদ বিক্রি করে সদস্যদের সঞ্চয়ের প্রায় ৩ কোটি টাকা পরিশোধ করেছেন। বর্তমানে সদস্যদের কাছে সমিতির প্রায় ৪ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। অন্যদিকে সমিতির বিভিন্ন খাতে প্রায় ১৮ কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে, যা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে না।
সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সঞ্চয়ের টাকা ফেরত দিতে চাই। এজন্য সমিতির কার্যক্রম চালু করা জরুরি। বিনিয়োগের অর্থ উত্তোলন করতে পারলে পর্যায়ক্রমে সদস্যদের সব পাওনা পরিশোধ করা সম্ভব হবে। আমাদের বিনিয়োগের পরিমাণ সদস্যদের সঞ্চয়ের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি।’
যুবধারা আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পাপ্পু মাহমুদ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। এতে প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।





