মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

এমপি মমিনুল হকের জিরো টলারেন্সের ঘোষণায় হাজীগঞ্জে তিন মাদক ব্যবসায়ীর মাদক ছাড়ার ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২০ পিএম
এমপি মমিনুল হকের জিরো টলারেন্সের ঘোষণায় হাজীগঞ্জে তিন মাদক ব্যবসায়ীর মাদক ছাড়ার ঘোষণা

মাদক ছাড়ার ঘোষণাকারী পারুল বেগম, পলি আক্তার ও রিপন।

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার তিন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে লিখিত অঙ্গীকারনামা দিয়ে ভবিষ্যতে মাদকদ্রব্য সেবন, বিক্রয় ও সরবরাহ থেকে বিরত থাকার ঘোষণা দিয়েছেন।

অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষরকারী তিনজন হলেন-পারুল বেগম (৫৫), পলি আক্তার (৩০) এবং সফিউল আলম খান ওরফে রিপন (৩৬)। তারা হাজীগঞ্জ উপজেলার টোরাগড় (কাজী বাড়ি) এলাকার বাসিন্দা।

লিখিত অঙ্গীকারনামায় তারা উল্লেখ করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে হাজীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অনেক যুবক মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে এবং সমাজে নেতিবাচক সৃষ্টি হয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা এ ব্যবসায় জড়িয়েছিলেন বলেও স্বীকার করেন।

লিখিত অঙ্গীকারনামায় তারা উল্লেখ করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের কর্মকাণ্ডের কারণে হাজীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অনেক যুবক মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে এবং সমাজে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি হয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা এ ব্যবসায় জড়িয়েছিলেন বলেও স্বীকার করেন।

Model Hospital

তারা আরও জানান, চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পর স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিদের উদ্যোগে তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। সাবেক উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, বর্তমান পৌর বিএনপির সদস্য ও সাবেক ৭ নং ওয়ার্ড কমিশনার মো. সিরাজ খান এবং সাবেক ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কবির কাজীর সহযোগিতায় তারা মাদকের ভয়াবহতা উপলব্ধি করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

অঙ্গীকারনামায় তারা ঘোষণা দেন, ৫ আগস্ট থেকে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের মাদকদ্রব্য সেবন, গ্রহণ, বিক্রয় বা সরবরাহ করবেন না। যদি ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত কোনো অভিযোগ বা প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী যে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে সে বিষয়ে তাদের কোনো আপত্তি থাকবে না।

এ বিষয়ে হাজিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, তারা মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে বলে আমার কাছে অঙ্গিকার নামা জমা দিয়েছে। আমি তাদেরকে সাধুবাদ জানাই।

অতীতের অভিজ্ঞতা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থিতা ঘিরে স্থানীয় অঙ্গনে আলোচনা

মৈশাদীর চেয়ারম্যান পদে এবার কারা আলোচনায়? উঠে আসছে মানিক পাটোয়ারীর নাম

মাঈনুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৪ এম
মৈশাদীর চেয়ারম্যান পদে এবার কারা আলোচনায়? উঠে আসছে মানিক পাটোয়ারীর নাম

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৬ নম্বর মৈশাদী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক পাটোয়ারী। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর অতীত অভিজ্ঞতা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সামাজিক সেবায় সম্পৃক্ততা ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গন, নেতাকর্মী ও ভোটারদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

মনিরুজ্জামান মানিক পাটোয়ারী চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি। এর আগে তিনি মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া জেলা পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। দুই পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি হিসেবে অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ইউনিয়নের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবায় নতুন উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন তাঁর সমর্থকেরা।

স্থানীয় সূত্র ও তাঁর সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী, চেয়ারম্যান থাকাকালে ইউনিয়নের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তাঘাট সংস্কার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা এবং ডিজিটাল সেবার প্রসারে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি সামাজিক ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানান তাঁর অনুসারীরা।

করোনাকালে সহায়তার দাবি

Model Hospital

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের সময় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়টিও আলোচনায় আনছেন তাঁর সমর্থকেরা। তাঁদের দাবি, ওই সময়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে ‘সততা স্টোর’-এর মাধ্যমে খাদ্যসামগ্রী, ওষুধ ও নগদ অর্থ দিয়ে অসহায় মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছিলেন মানিক পাটোয়ারী। তাঁদের মতে, সংকটকালীন এসব উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের একটি অংশের মধ্যে তাঁর সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরিতে ভূমিকা রেখেছে।

উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিয়ে প্রত্যাশা

মৈশাদী ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সমর্থকদের মধ্যে আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁকে ঘিরে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁর অনুসারীরা। তবে নির্বাচনে তাঁর চূড়ান্ত প্রার্থিতা এবং অন্যান্য প্রার্থীর অবস্থান সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য ছাড়া নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এদিকে ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে স্থানীয়দের প্রত্যাশার মধ্যে রয়েছে উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নাগরিক সেবা সহজ করা এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার করা। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সমস্যা দ্রুত সমাধান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর প্রত্যাশা

মনিরুজ্জামান মানিক পাটোয়ারীর সমর্থকদের প্রত্যাশা, জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাঁর পূর্ব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মৈশাদী ইউনিয়নের উন্নয়নে নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সুযোগ তৈরি হবে। তবে নির্বাচনে প্রার্থীদের চূড়ান্ত অবস্থান, তাঁদের পরিকল্পনা এবং ভোটারদের মতামত নির্বাচনী প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে আরও স্পষ্ট হবে।

সব মিলিয়ে, আসন্ন মৈশাদী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে চেয়ারম্যান পদে মনিরুজ্জামান মানিক পাটোয়ারীকে নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে। তাঁর অতীত কর্মকাণ্ড, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও জনসম্পৃক্ততার বিষয়গুলো নির্বাচনী আলোচনায় কতটা গুরুত্ব পায়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপগুলোর জন্য।