বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

হাজীগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৬৩.৫৭%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫৩ জন

মেহেদি হাসান রিমেল প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:১৫ পিএম
হাজীগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৬৩.৫৭%, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫৩ জন

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে মোট ২ হাজার ৯০৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৮৪৭ জন পাস করেছে। উপজেলায় মোট পাসের হার ৬৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এছাড়া ১৫৩ জন পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।

হাজীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের প্রকাশিত ফলাফলসংক্রান্ত তালিকা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

তালিকা অনুযায়ী, হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল পাইলট হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৭৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ২১৮ জন পাস করেছে। এ প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ ৫৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে এবং পাসের হার ৭৮ দশমিক ৪২ শতাংশ।

অন্যদিকে হাজীগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৮৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৭২ জন পাস করেছে। এ প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ৯৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩২ জন।

Model Hospital

এছাড়া রামচন্দ্রপুর ভূঁইয়া একাডেমি থেকে অংশ নেওয়া ৪৯ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ১০০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন।

প্রকাশিত তালিকায় উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থী সংখ্যা, উত্তীর্ণের সংখ্যা, জিপিএ-৫ এবং পাসের হার উল্লেখ করা হয়েছে।

হাজীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ কে এম জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত ফলাফলসংক্রান্ত তালিকায় উপজেলার সামগ্রিক ফলাফলের এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।