বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব দক্ষিণে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৬৭.৩২, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৮ জন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৯:২৬ পিএম
মতলব দক্ষিণে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৬৭.৩২, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৮ জন
এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মতলব দক্ষিণ উপজেলার ২৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মোট ২০৬৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১৩৯১ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার ৬৭.৩২। সর্বমোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৮ জন শিক্ষার্থী। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর পাসের হার ও জিপিএ-৫ বেড়েছে। গত বছর ২৩১১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে ১২৯৯ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়। পাসের হার ছিল ৫৬.২০। সর্বমোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৮৯ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ পেয়েছে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল।
প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, মতলব কাচিয়ারা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৪৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৮ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। পাসের শতকরা হার ৩৭.৫০।
আশ্বিনপুর উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ থেকে ৯৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭৬ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।পাসের শতকরা হার ৭৯.১৭।
মতলব জেবি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৫৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৩৪ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন। পাসের হার ৮৪.৮১।
মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৬৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮জন। পাসের শতকরা হার ৮০.৪৮।
নারায়ণপুর পপুলার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৪৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৮৩ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১জন। পাসের হার ৫৭.৬৪।
নারায়ণপুর পপুলার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নাই। পাসের হার ৭৫.০০।
মুন্সিরহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৮২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৯২ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৫০.৫৫।
বোয়ালিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪১ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে।জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৮৭.২৩।
নওগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩৪ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৬৯.৩৯।
বরদিয়া কাজী সুলতান আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২১ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১জন। পাসের হার ৬০.০০।
হযরত শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৫৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৬৭.৯০।
লাকশিবপুর ফিরোজা বেগম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪১ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৬৯.৪৯।
নায়েরগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৫৩ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৬২.৩৫।
আধারা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২২ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নাই। পাসের হার ৮৪.৬২।
বহরী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪০ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নাই। পাসের হার ৮৩.৩৩।
বোয়ালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২০ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৪৬.৫১।
দগরপুর আব্দুল গণি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নাই। পাসের হার ৪৬.২৯।
ধলাইতলি জনতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২১ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের শতকরা হার ৪৫.৬৫।
কাচিয়ারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৪ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৬৬.৬৬।
কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৫৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৬৫.৪১।
আচলছিলা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪০ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নাই। পাসের হার ৬৩.৪৯।
কাশিমপুর পুরণ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নাই। পাসের হার ৩৪.৮৮।
লামচরি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৯ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নাই। পাসের হার ৭০.৩৭।
পয়ালী কেবিএম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৮ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৬৬.৬৭।
আদর্শ স্কুল মতলব থেকে ৩৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ১৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নাই। পাসের হার ৪৭.২২।
দিঘলদী এমএ সাত্তার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৭৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৪২ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নাই। পাসের হার ৫৬.৭৫।
আলহাজ্ব তোফাজ্জল হোসেন ঢালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭৫ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন। পাসের হার ৭৫.৭৫।
ডিঙ্গাভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ২৭ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ নাই। পাসের হার ৬৯.২৩।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুল থেকে ৭৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৭৩ জন শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৩ জন। পাসের হার ৯৮.৬৪।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।