মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর সদরের ৫১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৮১ জন, পাসের হার ৭২.০৬ শতাংশ

মাসুদ হোসেন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২:২৫ এম
চাঁদপুর সদরের ৫১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৮১ জন, পাসের হার ৭২.০৬ শতাংশ

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার (১০ জুলাই) দুপুর ২টায় সারাদেশের সঙ্গে চাঁদপুরেও এ ফল প্রকাশ করা হয়। চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ১০ এপ্রিল এবং শেষ হয় ১৩ মে। চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৪ হাজার ৬০৬ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ৩ হাজার ২৭৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৮১ জন। উপজেলায় মোট পাসের হার ৭২.০৬ শতাংশ। চাঁদপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ সদর উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এ ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।

চাঁদপুর হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর ২৩২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ২০৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৬ জন। বিদ্যালয়টির পাসের হার ৮৯.৬৬ শতাংশ। মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২২৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০৪ জন। পাসের হার ৯৬.৬৭ শতাংশ। আল-আমিন একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৮৩৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। কৃতকার্য হয়েছে ৭৮৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১৯ জন। পাসের হার ৯৩.৮৯ শতাংশ।

পুরানবাজার এমএইচ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৫৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১১৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন। পাসের হার ৭৬.৭৭ শতাংশ।গনি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১১৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। কৃতকার্য হয়েছে ৮১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৬৮.৬৪ শতাংশ। চাঁদপুর পৌর শহীদ জাভেদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৩৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৪৮.৪৮ শতাংশ। আক্কাছ আলী রেলওয়ে একাডেমি থেকে ৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৩৪ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৫৯.৬৫ শতাংশ। আমিরাবাদ গোলাম কিবরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৫০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৭৫.৫৬ শতাংশ।

বাবুরহাট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৩৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৮৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮ জন। পাসের হার ৫০.১৩ শতাংশ। বাগাদী গনি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১২১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৬০ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৪৯.৫৯ শতাংশ। বহরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১২১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৭২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। পাসের হার ৫৯.৫০ শতাংশ। বালিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৬২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। পাসের হার ৬৪.৫৮ শতাংশ।

Model Hospital

চাঁদপুর নুরিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৩৩ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৬৫.৩৫ শতাংশ। চান্দ্রাবাজার ইয়াকুব আলী স্মারক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৩৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৮৯ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৬৪.৪৯ শতাংশ। ছোটসুন্দর আমজাদ আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৯০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৭১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। পাসের হার ৭৮.৮৯ শতাংশ।

ডাসাদী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৭ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ২৫ শতাংশ। ফরক্কাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৪৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। পাসের হার ৫৫.৫৬ শতাংশ। হাফেজ মাহমুদা পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৪ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ২৬.৬৭ শতাংশ।

হামানকদ্দি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৪ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৫০ শতাংশ। হামানকর্দি পল্লীমঙ্গল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৪৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। পাসের হার ৮৩ শতাংশ। হরিণা চালিতাতলী এডওয়ার্ড ইনস্টিটিউশন থেকে ৫০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২২ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৪৪ শতাংশ। জনতা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৩১ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৪৬.৯৭ শতাংশ।

জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১২ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ২৬.০৯ শতাংশ। কামরাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৩২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৭ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৫৩.১৩ শতাংশ। খেরুদিয়া দেলোয়ার হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ থেকে ৫০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৪৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৮৮ শতাংশ।

কৃষ্ণপুর জোহরা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৩৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৫৭.৩৮ শতাংশ। লেডি দেহলভী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৪১ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৬৫.০৮ শতাংশ। লেডি প্রতিমা মিত্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৪৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১২৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ জন। পাসের হার ৮৮.১১ শতাংশ।

লালপুর বালুধুম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৪৭ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৫৪ শতাংশ। এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৩২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৭৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৫৮.৩৩ শতাংশ। মহামায়া হানাফিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৩৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। পাসের হার ৬৪.৯১ শতাংশ।

মৈশাদি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২০ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৬৯ শতাংশ। মনিহার জিএম ফজলুল হক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৩ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৭৬.৪৭ শতাংশ। নানুপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৩৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৫৭.৮৯ শতাংশ।

উত্তর সাহাতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ জন। পাসের হার ৫১.১১ শতাংশ। পশ্চিম সকদী দারোগা বাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৫ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৫৫.৫৬ শতাংশ। পীর মহসিন উদ্দিন পৌর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৭৯.৩১ শতাংশ।

পুরানবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৩ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৫৮.৯৭ শতাংশ। রঘুনাথপুর হাজী এ করিম খান উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৬৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৪৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। পাসের হার ৬৯.৭০ শতাংশ। রাজরাজেশ্বর ওমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৪ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৯৩.৩৩ শতাংশ।

সফরমালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৩৯ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৪৪.৩২ শতাংশ। সেনগাঁও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৭ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৫৩.৮৫ শতাংশ। সাহাতলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৫ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ২১.৭৪ শতাংশ।

ষোলঘর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৩৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৬২.১৬ শতাংশ। তরপুরচণ্ডী জিএম ফজলুল হক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৫৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৬৯.০৫ শতাংশ। দ্বারকানাথ ডিএন উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৩৩ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ। পাসের হার ৭৫ শতাংশ।

গভর্নমেন্ট টেকনিক্যাল হাই স্কুল থেকে ১০৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৬৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ জন। পাসের হার ৬৩.১১ শতাংশ। ড্যাফোডিল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৭০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৭০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭ জন। পাসের হার শতভাগ। বীর প্রতীক মমিন উল্লাহ পাটওয়ারী একাডেমি থেকে ৬৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৪৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩। পাসের হার ৬৩.২৪ শতাংশ। কালেক্টরেট স্কুল থেকে ১৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। পাসের হার ৮৭.৫০ শতাংশ।

এছাড়াও ভোকেশনাল হতে উপজেলার চাঁদপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ থেকে ১৪৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৭৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩। পাসের হার ৫২.৪১ শতাংশ। ফরক্কাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৪৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ১৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন। পাসের হার ৩৫ শতাংশ। ষোলঘর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ৪৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ২৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। পাসের হার ৪৯.০৯ শতাংশ এবং কামরাঙা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে কৃতকার্য হয়েছে ৭ জন। জিপিএ-৫ পায়নি কেউ পাসের হার ৮৭ শতাংশ। সর্বমোট পাশের হার ৫১.২২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ জন।

বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১ নং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী দেশে ফেরায় তাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবর্ধনা দিয়েছেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রবীণ-নবীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এতে অংশ নেন।

আব্দুল করিম বেপারী নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি রাজারগাঁও ইউনিয়নবাসীর সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। সমান ভাবে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি-চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক মমিন ভাইয়ের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা করব। রাজারগাঁও ইউনিয়নকে অন্যায়, অনিয়ম,অপরাধ, দুর্নীতি, লুটপাট মুক্ত – একটি সুন্দর ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করছি।”

Model Hospital

এদিকে সংবর্ধনায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বলেন, তারা আব্দুল করিম বেপারীকে রাজারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তাদের প্রত্যাশা, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রবীণ ও নবীন নেতাকর্মী, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে আব্দুল করিম বেপারী বলেন, “আমার নেতাকর্মী, সমর্থক ও ইউনিয়নবাসীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছেন, তা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও স্মরণীয় একটি মুহূর্ত।”