বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরের বাখরপুর প্রবাসী পরিবারের জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৩ পিএম
চাঁদপুরের বাখরপুর প্রবাসী পরিবারের জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ

চাঁদপুরে জোরপূর্বক প্রবাসী পরিবারের বাড়ির প্রবেশ পথসহ সামনের পুরো জায়গা দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী এবং তার ছেলেরা প্রবাসে থাকায় বহু দেনদরবার করেও ১২ বছর ধরে তারা ওই জমি দখল মুক্ত করতে পারেনি। অবশেষে দখলকৃত জমি উদ্ধারে ফের আইনি সহায়তা চেয়ে (ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২৩ এর ৭,৮ ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করেছি ভুক্তভোগী প্রবাসী পরিবার। ঘটনাটি ঘটে সদর উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের বাখরপুর গ্রামের বাংলাবাজার গরুর হাট সংলগ্ন এলাকায়।

সরজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে এবং মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাখরপুর কবিরাজ বাড়ির মৃত ইদ্রিস কবিরাজের পুত্র মোঃ মোক্তার কবিরাজ ‌প্রতিবেশী আনোয়ারা বেগমের কাছ থেকে ৩০ শতক জমি ক্রয় করেন। যা সিএস ৯৯, আরএস ১০৫ এবং বিএস ৪৭ নং খতিয়ান ভুক্ত । একই মালিকের কাছ থেকে তার প্রতিবেশী জিতু মিয়া কবিরাজ পূর্ব অংশের ৬ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেন। কিন্তু জিতু মিয়া কবিরাজ ওই জমির রাস্তার পাশের পুরো সামনের অংশটি দখল করে সেখানে একটি মার্কেট নির্মাণ করেন। শুধু তাই নয়, মুক্তার কবিরাজের বাড়িতে প্রবেশের কোন রাস্তাও রাখেনি।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মুক্তার কবিরাজ‌ বলেন, আমি দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে কষ্টে উপার্জিত টাকা দিয়ে এই জমিটা কিনেছি। আমার দুই ছেলেও বিদেশ থাকতো। এই সুযোগে জিতু মিয়া কবিরাজ এক পাশের জায়গা না নিয়ে রাস্তার সামনের পুরো জায়গাটি জোরপূর্বক দখল করে সেখানে মার্কেট নির্মাণ করে। তিনি ওই সময়ে হাইমচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটোয়ারীর আত্মীয় পরিচয়ে আমাদের উপরেই জুলুম অত্যাচার করেছে। তাদের অত্যাচারে আমি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বাড়িতে প্রবেশ করতে পারিনি।

ভুক্তভোগী মুক্তার কবিরাজ‌ আরো বলেন, জিতু মিয়া কবিরাজ মারা যাওয়ার আগে তিনি নিজের এই অন্যায়ের কথা স্বীকার করে গেছেন। শুধু তাই নয় আমাদেরকে জমিটি ফেরত দেওয়ার কথাও বলেছেন। কিন্তু মৃত্যুর পরে তার ছেলে ইসমাইল হোসেন এবং ভাতিজা মো. আলাউদ্দিন ও মো. সিরাজ গংরা জমিটি এখনো দখল করে রেখেছেন। আমি মহামান্য আদালত এবং প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করছি। পাশাপাশি আমাদের চাঁদপুর-৩ আসনের এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক সাহেবের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

Model Hospital

এ বিষয়ে অভিযুক্ত পরিবারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকে মার্কেট এলাকায় পাওয়া যায়নি। তবে জমির মূল মালিক আনোয়ারা বেগমের মেয়ে আমেনা বেগম বলেন, আমার মা বার্ধক্য জনিত অসুখে বিছানায় শয্যাশায়ী। তবে আমরা জানি যে আমার মা মুক্তার কবিরাজ‌-এর কাছে ৩০ শতাংশ জমি বিক্রি করেছেন। অমীমাংসিত বিষয়টি সমাধান হোক এটি আমরাও চাই।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।