বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় সরকারি পাইলট উবিতে ৯১ ব্যাচের পুনর্মিলনী উদযাপন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫২ পিএম
কচুয়ায় সরকারি পাইলট উবিতে ৯১ ব্যাচের পুনর্মিলনী উদযাপন

কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯১ ব্যাচের শিক্ষার্থী মিলনমেলা।

‘এসো মিলি প্রাণে প্রাণে বন্ধুত্বের বন্ধনে’ এই প্রতিপাদ্যে ধারণ করে কচুয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ” সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৯১ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এই সর্বপ্রথম পুনর্মিলনী উদযাপন করেছে।
শনিবার (১৪ আগস্ট ২০২৬) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এই মিলনমেলার আয়োজন করা হয়।
দিনব্যাপী এই স্মৃতিচারণ আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা দীর্ঘ বছর পর সহপাঠীদের কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং বিদ্যালয়ে কাটানো শৈশব ও কৈশোরের নানা হারিয়ে যাওয়া সোনালী মুহূর্তগুলো রোমন্থন করেন। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় করা হয়।
প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মুখরিত ও প্রাণবন্ত উপস্থিতি, একে অপরকে বুকে জড়িয়ে নেওয়ার আন্তরিকতায় পুরো স্কুল ক্যাম্পাসটি এক আনন্দঘন ও আবেগঘন মহামিলনমেলায় পরিণত হয়। আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক আত্মিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করা, মাতৃসম প্রতিষ্ঠানের যেকোনো সংকটে পাশে দাঁড়ানো এবং আগামী প্রজন্মের জন্য ইতিবাচক কল্যাণমূলক উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এই ধরনের আয়োজন নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
মিলন মেলা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব শহীদ উল্লাহ মজুমদার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয় সাবেক শিক্ষক আলহাজ্ব আব্দুল মবিন , আলহাজ্ব কবির হোসেন ও সনতোষ চন্দ্র সেন, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আতাউল করিম।
পুনর্মিলনীতে যোগ দিয়ে ৯১ ব্যাচের শিক্ষার্থী জসিম উদ্দিন, বাহারুল আলম , নাঈমুর রহমান লাভলু বলেন, পুরোনো বন্ধুদের সাথে দেখা হলো। এই অনুষ্ঠান আমাকে নতুন করে ফিরিয়ে নিয়ে গেল স্কুল জীবনে।’ এখানে তাদের সাথে দেখা করে অনেক ভাল লেগেছে। কর্মজীবনের বাহিরে যদি আমরা এভাবে একত্রিত হতে পারি তাহলে আনন্দ বিনোদনের সুযোগ তৈরি হয়।
তারা আরো জানান, ১৯৯১ সালের কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এই বছর ন্যায় প্রতিবছর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের পুরানো বন্ধুত্বদের মিলন মেলা আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।