বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় সেনা সদস্য কর্তৃক ‘মিথ্যা মামলা’ দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন

মোঃ রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০১ পিএম
কচুয়ায় সেনা সদস্য কর্তৃক ‘মিথ্যা মামলা’ দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন

সেনা সদস্য কর্তৃক ‘মিথ্যা মামলা’ দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নে ‘মিথ্যা মামলা’ দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।

​শনিবার বিকেলে পিপলকড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে এলাকার শতাধিক নারী–পুরুষ অংশ নেন।

​মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য দেন স্থানীয় বাসিন্দা নূরুল আফছার, গাজী রুবেল, শরীফ হোসেন, নিয়ামত, হাসিনা বেগম, ফাতেমা ও নার্গিস বেগম প্রমুখ।

ভুক্তভোগীরা  বলেন, চলতি মাসের ৫ আগস্ট ফেসবুকে একটি ভুয়া (ফেক) আইডিতে আসা বিতর্কিত পোস্টকে কেন্দ্র করে সেনাসদস্য তরিকুল ইসলামের ছোট ভাই জহিরুল ইসলাম এবং একই গ্রামের নূরুল আফছারের ছোট ভাই আবু আব্বাসের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এই খবর পেয়ে সেনাসদস্য তরিকুল ইসলাম লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে এসে আবু আব্বাসের ওপর হামলা চালান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

Model Hospital

​এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেনাসদস্য তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গত ৬ আগস্ট কচুয়া থানায় চাঁদাবাজি ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে নূরুল আফছারসহ পিপলকড়া গ্রামের ৯ পরিবারের ১১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন (মামলা নং- ১৪)। মামলায় ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও ৩ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ কাল্পনিক, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

​বক্তারা অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান। তারা আরও অভিযোগ করেন, সেনাসদস্য তরিকুল ইসলাম সেনাবাহিনীর লোক পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। তিনি শুধু মামলা করেই ক্ষান্ত হননি, বরং ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের নানা ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছেন।

​মামলার এক আসামির মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, মিথ্যা মামলায় আমার ছেলে এখনো কারাগারে বন্দি রয়েছে। সেনাসদস্য তরিকুল ইসলাম বৃষ্টির কারণে পা পিছলে পড়ে আঘাত পান, অথচ এখন তিনি দাবি করছেন যে আমার ছেলে নাকি তাঁর পা ভেঙে দিয়েছে! আমি এই মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তির ও প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছি।

​এলাকার বেশ কয়েকজন প্রবীণ ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মামলার আসামিরা এলাকায় অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি। তাঁরা মসজিদ, মাদরাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে নিয়মিত অবদান রেখে আসছেন। তাঁরা কীভাবে চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন, তা কারও বোধগম্য নয়।

মামলার বাদী সেনা সদস্য তরিকুল ইসলামের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া যায় নি।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক (এস আই) মোঃ সোহেল খান তার (01718348903) মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।”

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital