বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসে মতলব উত্তরে শ্রদ্ধাঞ্জলি, র‌্যালী, কেক কাটা ও আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ, ২০২২, ১:৫২ পিএম
বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবসে মতলব উত্তরে শ্রদ্ধাঞ্জলি, র‌্যালী, কেক কাটা ও আলোচনা সভা

মতলব উত্তর ব্যুরো : চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন শিশুদের প্রতি বন্ধুবৎসল। শিশুরা যেন সুন্দর সোনার বাংলাদেশে বড় হতে পারে সে জন্য তিনি আজীবন কাজ করে গেছেন। শিশুদের অধিকার আদায়ে তিনি সর্বদা সচেষ্ট ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকালে চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা প্রশাসনের অনুষ্ঠানের আয়োজনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে শ্রদ্ধাঞ্জলি, আনন্দ র‌্যালী, কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এরআগে জাতির পিতার শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যূরালে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ করেন চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল, উপজেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা প্রশাসন, উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ’সহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

পরে বটমূলে কেক কাটা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল।

Model Hospital

সাংসদ . নুরুল আমিন রুহুল বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন সাহসী, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী, অসাম্প্রদায়িক ও মানব দরদি। তার চরিত্রের এই গুণগুলো শিশুদের মধ্যে প্রথিতো করতে পারলে সুন্দর আগামী প্রজন্ম গড়ে উঠবে।

সাংসদ নুরুল আমিন রুহুল বলেন, বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামী চেতনা ও আপসহীনতার প্রকাশ পাওয়া যায় তার ছেলেবেলা থেকে। তিনি ছেলেবেলার খোকা থেকে শেখ মুজিব, তা থেকে শেখ সাহেব এবং ক্রমান্বয়ে বঙ্গবন্ধু, জাতির পিতা ও পরবর্তীতে বিশ্বনেতা হয়েছিলেন। তিনি বলেন, একটি জাতি সুন্দর গঠন নির্ভর করে শিশুদের সুন্দর আগামীর পের। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেটি সবসময় অনুধাবন করতেন। তাই শিশুদের অধিকার ও সুন্দর আগামীর জন্যও ছিল তার সারা জীবনের সংগ্রাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. রুহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী শরিফুল হাসানের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মাহফুজ মিয়ার সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন, মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) হেদায়েত উল্লাহ প্রমুখ।

উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন খান সুফল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিনা আক্তার, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাসুদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শহীদ উল্লাহ প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান প্রধান, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক নুরুল আমিন বোরহান, সদস্য বাবু রাধেশ্যাম সাহা চান্দু, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ধর্ম বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য কাজী মিজানুর রহমান, সাবেক কমান্ডার মোজাম্মেল হক, ফরাজীকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জি. রেজাউল করিম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি দেওয়ান জহির, প্রচার সম্পাদক রেফায়েত উল্লা দর্জি, কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফারুক, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম’সহ সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এরপর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স মাঠে ৭দিন ব্যাপী মুক্তির উৎসব ও সুবর্ণজয়ন্ত্রী মেলা-২০২২ উদ্বোধন করেন চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।