শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে গৃহবধূ মিশু হত্যাকারী সুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৯ পিএম
ফরিদগঞ্জে গৃহবধূ মিশু হত্যাকারী সুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে আলোচিত গৃহবধূ জাহেদা আক্তার মিশু (২০) হত্যা মামলায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ঘাতক মো. সুজন খান (৩১)কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাঁকে ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর আসামিদের খালাস দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে চাঁদপুরের জ্যেষ্ঠ জেলা ও দায়রা জজ সামছুন্নাহার জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সুজন খান আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সুজন খান ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরমঘুয়া গ্রামের মসজিদসংলগ্ন খান বাড়ির আবুল বাশার খানের ছেলে।
মামলার নথি ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে জাহেদা আক্তার মিশুর সঙ্গে পাশের সন্তোষপুর গ্রামের সোহেল বেপারীর বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর স্বামী সোহেল কাতার চলে গেলে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে বিভিন্ন পারিবারিক বিষয়ে মিশুর বিরোধ তৈরি হয়। একপর্যায়ে মিশুর মা ছালেহা বেগম মেয়েকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে মিশুকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
এরই জেরে ২০১৯ সালের ২৯ জুলাই ভোরে চরমঘুয়া গ্রামে মিশুর বাবার বাড়িতে গিয়ে সুজন খান ধারালো অস্ত্র দিয়ে মিশুর মাথা ও কানে অতর্কিত কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। মিশুর মা ছালেহা বেগমের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারী পালিয়ে যায়। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় মিশুকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ওই দিনই মিশুর মা ছালেহা বেগম বাদী হয়ে সুজন খানকে প্রধান আসামি করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তৎপর চালিয়ে ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই প্রধান আসামি সুজন খানকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদগঞ্জ থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) উনুমং মায়মা তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসেকিউটর (পিপি) কোহিনুর রশিদ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণ, নথি পর্যালোচনা ও আসামির অপরাধ স্বীকারের সার্বিক দিক বিবেচনা করে বিজ্ঞ আদালত সুজন খানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন এবং নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় বাকিদের খালাস দিয়েছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital