বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ওসি আজিজুল ইসলামের হুঁশিয়ারি

আবু সাঈদ, কচুয়া প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০৯ পিএম
কচুয়ায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ওসি আজিজুল ইসলামের হুঁশিয়ারি
কচুয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে ১৭ আগস্ট সোমবার  মাদকবিরোধী র‍্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কচুয়ায় হয় মাদক কারবারি থাকবে, না হয় পুলিশ থাকবে—মাদকের সাথে কোনো আপস নেই।
কচুয়া থানা চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।  র‍্যালিতে পুলিশ সদস্য, স্থানীয় সামাজিক সংগঠনের ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন।
​ র‍্যালি শেষে আয়োজিত পথসভায় বক্তারা মাদকের কুফল তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
ওসি আজিজুল ইসলাম স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, কচুয়াকে সম্পূর্ণ মাদক মুক্ত করতে পুলিশের অভিযান জিরো টলারেন্স নীতিতে পরিচালিত হবে। মাদকের ব্যবসায় যুক্ত ব্যক্তিদের দ্রুত এই এলাকা ছাড়ার কিংবা সমাজ থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়, অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মাদক কারবারি ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য এলাকার সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
​পথসভা ও র‍্যালি আয়োজনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের মাঝে মাদকবিরোধী ইতিবাচক সচেতনতা ও পুলিশি তৎপরতার বার্তা তৈরি হয়েছে।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।