বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে নিখোঁজ বাক্‌প্রতিবন্ধী তন্ময়ের ম’রদে’হ উদ্ধার

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১১ পিএম
শাহরাস্তিতে নিখোঁজ বাক্‌প্রতিবন্ধী তন্ময়ের ম’রদে’হ উদ্ধার
শাহরাস্তিতে নিখোঁজের একদিন পর তন্ময় (২৬) নামে এক বাক্‌প্রতিবন্ধী যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৩ আগস্ট) চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের বরুড়া উপজেলার বিজড়া এলাকার একটি সিএনজি পাম্পসংলগ্ন ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত তন্ময় শাহরাস্তি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সৌল্লার বাড়ির খোকন মেকারের একমাত্র ছেলে। পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছর ধরে তন্ময়ের মানসিক ভারসাম্য কিছুটা অস্বাভাবিক ছিল।পাশাপাশি সে বাক্‌প্রতিবন্ধী ছিল।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে তন্ময় তার বাবার দোকানে যায়। পরে সেখান থেকে সে নিখোঁজ হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এলাকায় মাইকিং করা হয়। একই সঙ্গে আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হয়।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তন্ময়ের মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে তার বাবা মোঃ খোকন বরুড়ার বিজড়া এলাকায় গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন।
এ সময় একমাত্র ছেলেকে পেয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।পরে বরুড়া থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। ওইদিন  সন্ধ্যায় পৌরসভা কমপ্লেক্সের সম্মুখে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
নিহতের বাবা মোঃ খোকন বলেন, “তন্ময় ছিল আমার একমাত্র পুত্র। তাকে হারিয়ে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি।তন্ময়ের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় পুলিশ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে।

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।