বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে নিখোঁজ বাক্‌প্রতিবন্ধী তন্ময়ের ম’রদে’হ উদ্ধার

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১১ পিএম
শাহরাস্তিতে নিখোঁজ বাক্‌প্রতিবন্ধী তন্ময়ের ম’রদে’হ উদ্ধার
শাহরাস্তিতে নিখোঁজের একদিন পর তন্ময় (২৬) নামে এক বাক্‌প্রতিবন্ধী যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৩ আগস্ট) চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের বরুড়া উপজেলার বিজড়া এলাকার একটি সিএনজি পাম্পসংলগ্ন ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত তন্ময় শাহরাস্তি পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সৌল্লার বাড়ির খোকন মেকারের একমাত্র ছেলে। পরিবারের সদস্যদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছর ধরে তন্ময়ের মানসিক ভারসাম্য কিছুটা অস্বাভাবিক ছিল।পাশাপাশি সে বাক্‌প্রতিবন্ধী ছিল।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে তন্ময় তার বাবার দোকানে যায়। পরে সেখান থেকে সে নিখোঁজ হয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এলাকায় মাইকিং করা হয়। একই সঙ্গে আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেওয়া হয়।
রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তন্ময়ের মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে তার বাবা মোঃ খোকন বরুড়ার বিজড়া এলাকায় গিয়ে মরদেহটি শনাক্ত করেন।
এ সময় একমাত্র ছেলেকে পেয়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।পরে বরুড়া থানা পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। ওইদিন  সন্ধ্যায় পৌরসভা কমপ্লেক্সের সম্মুখে নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
নিহতের বাবা মোঃ খোকন বলেন, “তন্ময় ছিল আমার একমাত্র পুত্র। তাকে হারিয়ে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি।তন্ময়ের মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় পুলিশ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।