মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

গল্লাক নোয়াব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

সন্তানদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে মানবিক মূল্যবোধ তৈরি হবে : জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১৫ পিএম
সন্তানদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে মানবিক মূল্যবোধ তৈরি হবে : জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান

গল্লাক নোয়াব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশে বক্তব্য দেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ জিয়াউর রহমান।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গল্লাক নোয়াব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের সভাপতি, শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক লায়ন ফখরুল আহমেদ ফয়সাল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলাম ও বিল্লাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ জিয়াউর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া, শিল্পপতি ও সমাজসেবক মোতাহার হোসেন পাটোয়ারী, শিল্পপতি ও সমাজসেবক ফয়েজ আহমেদ মোল্লা, চিকিৎসক ও সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম আজাদ, গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজাহান পাটওয়ারী এবং বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাছির আহমদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান বলেন, একজন শিক্ষার্থীর জীবনে বিদ্যালয় ও পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করলেই হবে না; শিক্ষার্থীদের সৎ, আদর্শবান, মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ জন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতিচর্চা ও নৈতিক শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। সন্তানদের নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে তাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ তৈরি হবে এবং সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করার আগ্রহ বাড়বে।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সহসভাপতি মামুনুর রহমান ও আজাদ পাটওয়ারী, সাবেক সদস্য ইমাম হোসেন, মনির পাটওয়ারীসহ শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১ নং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী দেশে ফেরায় তাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবর্ধনা দিয়েছেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রবীণ-নবীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এতে অংশ নেন।

আব্দুল করিম বেপারী নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি রাজারগাঁও ইউনিয়নবাসীর সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। সমান ভাবে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি-চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক মমিন ভাইয়ের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা করব। রাজারগাঁও ইউনিয়নকে অন্যায়, অনিয়ম,অপরাধ, দুর্নীতি, লুটপাট মুক্ত – একটি সুন্দর ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করছি।”

Model Hospital

এদিকে সংবর্ধনায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বলেন, তারা আব্দুল করিম বেপারীকে রাজারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তাদের প্রত্যাশা, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রবীণ ও নবীন নেতাকর্মী, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে আব্দুল করিম বেপারী বলেন, “আমার নেতাকর্মী, সমর্থক ও ইউনিয়নবাসীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছেন, তা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও স্মরণীয় একটি মুহূর্ত।”