বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

আশা সিমেন্ট, স্বপ্ন কারিগর-নির্মাণে আস্থার সঙ্গী, হাজীগঞ্জে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৫৪ পিএম
আশা সিমেন্ট, স্বপ্ন কারিগর-নির্মাণে আস্থার সঙ্গী, হাজীগঞ্জে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আবুল খায়ের গ্রুপের অন্যতম একটি পণ্য “আশা সিমেন্ট ” কতৃক কুমিল্লা রিজিওনের আওতাধীন চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জের এক্সক্লুসিভ ডিলার “মজুমদার বিল্ডার্স” এর অধীনে “কনস্ট্রাকশন সাব-কন্ট্রাক্টর ও রাজ মিস্তিরিদের নিয়ে “আশা সিমেন্ট-স্বপ্ন কারিগর ” কর্মশালা ও আনন্দ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছ।

২৪ আগস্ট ২০২৬ইং রোজ সোমবার দিনব্যাপী হাজীগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনাল সংলগ্ন আনন্দ প্যালেস কমিউনিটি সেন্টারের ৩য় তলায় এই কর্মশালা ও আনন্দ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও হাজীগঞ্জের মজুমদার বিল্ডার্সের প্রোপাইটর, আশা সিমেন্টের এক্সক্লুসিভ ডিলার মোঃ হাসিবুল হাসান ডালাস বলেন, আশা সিমেন্টকে গ্রাহকদের কাছে সঠিক সময়ে পৌঁছে দিতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে আশা সিমেন্ট বাজার চাহিদার মধ্যে অন্যতম, আশা সিমেন্টকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি সকল নির্মান শ্রমিক, কন্ট্রাকটারসহ সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আবুল খায়ের গ্রুপের আশা সিমেন্টের কুমিল্লা বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক আলী রেজা মো. তালহা।

Model Hospital

ওই সময় তিনি বলেন, আশা সিমেন্ট বাংলাদেশে প্রথম ট্রিপল টেস্টের সিমেন্ট যা খুবই মিহি এবং খুবই দ্রুত বন্ডিং তৈরি করে যার ক্লিনকার ৮০-৯৪%। একটি বাড়ি বানানোর জন্য অনেকের অবদান রয়েছে। তবে সাব কন্টাকটার ও রাজমিস্ত্রির অবদান সবচেয়ে বেশি। অনুষ্ঠান শেষে তিনি উপস্থিত সাব কনট্রাকটর ও রাজমিস্ত্রিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হাজীগঞ্জ পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার মো. ওমর ফারুক।

ওই সময় তিনি বলেন, নির্মাণ কাজের জন্য সেরা মানের সিমেন্টের মধ্যে অন্যতম আশা সিমেন্ট। যা আবুল খায়ের গ্রুপ বাংলাদেশে এই প্রথম ত্রিপল টেস্টেড সিমেন্ট হিসেবে বাজারজাত করন করছে। আর আবুল খায়ের গ্রুপ সব সময় ভালো মানের পণ্য তৈরি করে আসছে। আশা সিমেন্ট গুণগতমান নিশ্চিত করে আপনাদের সকলের প্রত্যাশা পূরণ করবে।

অনুষ্ঠান শুরুতে উপস্থিত সাব কন্টাকটার ও রাজমিস্ত্রিদের মধ্যে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন আশা সিমেন্টের ব্র্যান্ডিং প্রচারে প্রোডাক্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহাদাত হোসেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, শাহরাস্তির ডিলার “মেসার্স ইব্রাহীম খলিল এন্ড সন্স “এর স্বত্ত্বাধীকারী আলহাজ্ব মো: নুরুজ্জামান শরীফ, কচুয়ার ডিলার মেসার্স রাশেদ এন্টারপ্রাইজের” স্বত্ত্বাধীকারী মো: রাশেদুল ইসলাম, আশা সিমেন্টের এরিয়া ম্যানেজার মো.আসাদুজ্জামান রাজিব, আশা সিমেন্টের চাঁদপুর জেলার সিনিয়র মার্কেটিং অফিসার মোহাম্মদ ইবরাহিম এবং টেকনিক্যাল সাপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার মো: আবু বকরসহ অনেকেই।

অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মজুমদার বিল্ডার্সের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ, প্রোপাইটর এবং হাজীগঞ্জ আশা সিমেন্টের এক্সক্লুসিভ ডিলার মোঃ হাসিবুল হাসান ডালাস।

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।