বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে সম্পত্তি দখলে বাঁধা দেওয়ায় মা-ছেলের ওপর হামলা

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৭ এম
ফরিদগঞ্জে সম্পত্তি দখলে বাঁধা দেওয়ায় মা-ছেলের ওপর হামলা
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সম্পত্তিগত বিরোধকে কেন্দ্র করে মা ও ছেলের ওপর হামলা চালিয়ে গুরুতর করার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ৫নং গুপ্টি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের আস্টা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, আস্টা গ্রামের আব্দুল ওয়াহেদ পাটওয়ারীর ছেলে ফরিদ হোসেন (২৮) এবং তার স্ত্রী শামসুন্নাহার বেগম (৫৫)। হামলার পর স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
আহত ফরিদ হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, একই এলাকার মৃত শামসুল হক পাটওয়ারীর ছেলে আজাদ পাটওয়ারী ও মনির পাটওয়ারী ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে তাদের পারিবারিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছেন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিকবার বিরোধ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। পরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালে বিভিন্ন মামলায় আদালত প্রকৃত মালিক হিসেবে আহত পরিবারের পক্ষে রায় দেন বলে তাদের দাবি।
আহতদের অভিযোগ, মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ফরিদ হোসেন গল্লাক বাজারে অবস্থিত তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন। এসময় বাড়ির পাশে তাদের ভোগদখলকৃত একটি জমিতে প্রতিপক্ষ লোকজন নিয়ে জবর দখল করার উদেশ্যে জমিতে হাল দিতে দেখে তিনি বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞাসা করেন। এ সময় একপর্যায়ে মৃত শামসুল হক পাটওয়ারীর ছেলে আজাদ পাটওয়ারী, মনির পাটওয়ারী ও তাদের সহযোগী পাশ্ববর্তী ডোমরিয়া গ্রামের মৃত হামিক উদ্দিন পাটওয়ারীর ছেলে আব্দুল হান্নান পাটওয়ারী সহ প্রতিপক্ষের লোকজন তার ওপর হামলা চালায়। ছেলে ফরিদকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তার মা শামসুন্নাহার বেগমকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।
জানা যায়, একই এলাকার বাসিন্দা আজাদ পাটওয়ারী ও মনির পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নিরীহ মানুষের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতার সুযোগ নিয়ে তারা বিভিন্ন সময় জমি-সংক্রান্ত বিরোধে জড়িয়ে পড়ছেন এবং ভুক্তভোগীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। আজাদ পাটওয়ারী ও মনির পাটওয়ারী সম্পর্কে জানা যায়, তারা দুজনই মৃত শামসুল হক পাটওয়ারীর ছেলে। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত আজাদ পাটওয়ারী ও মনির পাটওয়ারীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর আহত মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন আহতদের পরিবারের সদস্যরা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।