বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

গৌরবের অষ্টম বর্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আলোর দিশা

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৮ পিএম
গৌরবের অষ্টম বর্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আলোর দিশা

২০১৮ সালে অনলাইনভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে যাত্রা শুরু করে ‘আলোর দিশা’। গুটি গুটি পায়ে মানবিক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার মধ্য দিয়ে সংগঠনটি আট বছর পূর্ণ করে নবম বছরে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে আগামী ২৮ আগস্ট ২০২৬, শুক্রবার নানা সামাজিক ও মানবিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হবে।

এ বিষয়ে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি সাগর বিশ্বাস অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, এই তো সেদিন ১২ জন তরুণ মিলে শুরু করেছিলাম এই মানবিক পদযাত্রা। আজ তা নবম বছরে পদার্পণ করছে। এটাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমার ‘আলোর দিশা’ আজ আমাদের ‘আলোর দিশা’তে রূপান্তরিত হয়েছে। একজন প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে এটাই আমার সবচেয়ে বড় গৌরব ও অর্জন।

তিনি আরও বলেন, আট বছরের পথচলায় এবারই প্রথম সংগঠনের পক্ষ থেকে শতাধিক স্বেচ্ছাসেবীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হবে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। এ আয়োজনকে ঘিরে তিনি আনন্দ প্রকাশ করে সবাইকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম মিথুন বলেন, “আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমত যে, এই জীবনে ‘আলোর দিশা’ পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরেছি। আট বছরে সংগঠনের পক্ষ থেকে হাজার হাজার রোগীর জীবন বাঁচাতে রক্তদান করেছেন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা। পাশাপাশি অসহায় মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা, দরিদ্র পরিবারের মেয়ের বিয়েতে আর্থিক সহযোগিতা, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহযোগিতা, অনাহারীর মুখে আহার তুলে দেওয়া, বস্ত্র বিতরণসহ বিভিন্ন উৎসব ও দুর্যোগের সময় নানা মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।

Model Hospital

তিনি বলেন, “সবার দোয়া ও সার্বিক সহযোগিতা আমরা সবসময় প্রত্যাশা করি। আমি বিশ্বাস করি, সবাই পাশে থাকলে ‘আলোর দিশা’ মানবতার কল্যাণে আরও বহুদূর এগিয়ে যাবে।

সংগঠনটির অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এবারও থাকছে দিনব্যাপী নানা আয়োজন। সকাল থেকে রক্তদান কর্মসূচি, অতিথি বরণ, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে ধর্মীয় গ্রন্থ উপহার প্রদান এবং স্বেচ্ছাসেবীদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হবে। সন্ধ্যায় সাংগঠনিকভাবে কেক কাটা এবং রাতে ছিন্নমূল, অসহায় ও পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজনের সমাপ্তি হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংগঠনটির উপদেষ্টা মো. লাবু তালুকদার।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।