বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শাহমাহমুদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় তিনজন আহতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৬ এম
শাহমাহমুদপুরে সম্পত্তিগত বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় তিনজন আহতের অভিযোগ
চাঁদপুর সদর উপজেলার ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নে পৈতৃক সম্পত্তির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের তিনজন আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত হাসিম বকাউলকে ২৫০ শয্যা চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর মো. সুমন বকাউল বাদী হয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় অভিযোগের প্রধান আসামী রফিক বকাউলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট দুপুর দেড়টার দিকে ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড দাসেরগাঁও গ্রামের বকাউল বাড়িতে জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে কথা বলার সময় রফিক বকাউল, তাজু বকাউল  ভুট্টু বকাউল, কহিনুর বেগম ও হাজেরা বেগম সহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জন সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় তাদের হাতে দা, লোহার পাইপ, হকিস্টিক ও লাঠিসোঁটা ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
বাদীর অভিযোগ, একপর্যায়ে রফিক বকাউল তার ভাই হাসিম বকাউলের মাথায় ধারালো দা দিয়ে আঘাত করেন। এতে তার মাথার ডান পাশে গুরুতর কাটা জখম হলে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ক্ষতস্থানে নয়টি সেলাই দেওয়া হয়। তাজু বকাউল লোহার পাইপ দিয়ে হাসিমকে মারধর করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভাইকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে মো. সুমন বকাউলকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করার অভিযোগ করেন তিনি। একই সময় সুমনের ছেলে মুনছুর বকাউলকেও ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। হামলার সময় হাসিম বকাউলের পরিহিত শার্টের বুক পকেট থেকে নগদ দুই হাজার টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। এছাড়া ভবিষ্যতে জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বাদী।
অভিযোগের বাদী ভুক্তভোগী মো. সুমন বকাউল বলেন, জায়গা-সম্পত্তির বিরোধকে কেন্দ্র করে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোড় দাবি জানাচ্ছি। এবং চাঁদপুর-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক ভাইয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
স্থানীয় সোহেল বকাউল বলেন, পুরো বাড়ির ১০টি পরিবার তাদের কাছে জিম্মি, তারা সবার উপর অত্যাচার চালায়। এমনকি ২০১৯ সালে বাড়ির ২৭ জন বাদী হয়ে ইমান বকাউল এর বিরুদ্ধে একটি রেকর্ড সংশোধনী মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার তদন্তে পুলিশ বাড়িতে আসলে তারা পুলিশের সাথেও দুব্যবহার করে। আমরা তাদের এ হয়রানি থেকে বাচঁতে চাই।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, পৈতৃক সম্পত্তির দখল-বেদখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একাধিকবার বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করলেও তা সমাধান হয়নি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত পরিবারের কাছ থেকে বক্তব্য নিতে চাইলে কোনো সদস্য সংবাদকর্মীদের কাছে বক্তব্য দিতে রাজি হননি। চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital