বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় হাবীবের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১৬ পিএম
দপ্তর সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় হাবীবের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্। রোববার (৩০ আগস্ট) ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, তিনি কলম প্রতীকে ৭৩৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এদিন দুপুরে ফলাফল ঘোষণা করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনে আল জায়েদ হোসেন।

এর আগে শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত হাজীগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে দপ্তর সম্পাদক পদে সাংবাদিক মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্ চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এর মধ্যে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৬৬ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী মো. আরিফুল ইসলাম তালা-চাবি প্রতীকে ৬৭৩, মো. মুরশিদুল আলাম হাঁস প্রতীকে ৫৭১ ও মোহাম্মদ কামাল হোসেন টেবিল ল্যাম্প প্রতীকে ৩৩৯ ভোট পেয়েছেন।

এদিকে সাংবাদিক মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্’কে বিজয়ী করায় তিনি ভোটারসহ হাজীগঞ্জ বাজারের সকল ব্যবসায়ী, তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাঙ্খীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি আগামি দিনে নির্বাচিত পরিষদের সকল সদস্যদের নিয়ে ব্যবসায়ী ও সমিতির স্বার্থে দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করতে চান বলে উল্লেখ করেন।

Model Hospital

প্রসঙ্গত, হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও উন্নয়ন কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্ হাজীগঞ্জ পূর্ব বাজারস্থ হারুন টাইলস্ এন্ড স্যানেটারির স্বত্ত্বাধীকারী। পারিবারিক ব্যবসা হিসেবে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে সুনাম ও সততার সাথে হাজীগঞ্জ বাজারে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। তিনি হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির ৩নং ওয়ার্ডের একজন সদস্য। তার সদস্য নং- ১০৬২।

সাংবাদিক মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্ ডেইলি অবজারভার ও প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি, চাঁদপুরের দৈনিক ইলশেপাড় পত্রিকার ব্যুরো ইনচার্জ, হাজীগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি, হাজীগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাপ্তাহিক পত্রিকার ত্রিনদীর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন স্বর্ণকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টানা দ্বিতীয়বারের মতো সভাপতি, হাজীগঞ্জ স্বর্ণকলি হাই স্কুলের পরিচালক ও নির্বাহী কমিটি সদস্য, টোরাগড় পূর্বপাড়া হাজী রহিম উদ্দিন জামে মসজিদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, শতবছরেরও বেশি সময়ের ঐতিহ্য টোরাগড় আদর্শ সমাজ ব্যবস্থার (কোরবানির মাংস বিতরণ) সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়া সাংবাদিক মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্ অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন টোরাগড় হিউম্যান হেল্প ফাউন্ডেশন ও গণপাঠাগারের উপদেষ্টা, হাজীগঞ্জ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের সদস্য, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের উপজেলা সদস্য’সহ বেশ কয়েকটি সংগঠনের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে সামাজিক, মানবিক, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কাজ করে যাচ্ছেন।

মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
মতলবে ডেঙ্গুর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তির দুই ঘণ্টার মধ্যেই তরুণের মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে ভর্তির মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে মো. সিয়াম (২০) নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত নয়টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সিয়াম উপজেলার খাগুরিয়া গ্রামের কৃষক আবদুস সোবাহানের ছেলে।

স্বজনেরা জানান, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন সিয়াম। তবে কোনো চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন তিনি। গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে বাবা আবদুস সোবাহান তাকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন।

হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে ডেঙ্গুর উপসর্গ শনাক্ত হয়। এ সময় তার নাক ও মুখ দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে থাকে। রোগীর অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের (রেফার) পরামর্শ দেন। ঢাকায় নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত করা হয়েছিল। তবে রওনা দেওয়ার আগেই রাত নয়টার দিকে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

Model Hospital

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন মামুন জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর দেখা যায় তরুণের নাক ও মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে এবং রক্তচাপ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় পাঠানোর সব প্রস্তুতি নেওয়া হলেও তার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ছেলের মৃত্যুতে ভেঙে পড়ে বাবা আবদুস সোবাহান বলেন, আমার পোলাডার এক সপ্তাহ ধইরা জ্বর আছিল। ওরে কইছিলাম ডাক্তারের কাছে যাইতে, কিন্তু হুনল না। অবস্থা বেশি খারাপ হইলে সন্ধ্যায় হাসপাতালে আনলাম। হাসপাতালে আনার পরই নাক-মুখ দিয়া রক্ত পড়া শুরু হয়। ঢাকা নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সও ঠিক করছিলাম, কিন্তু তার আগেই আমার সব শ্যাষ অইয়া গেল।