শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী ভূঁইয়া রেদওয়ানুর রহমানের যোগদান

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৯ পিএম
চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী ভূঁইয়া রেদওয়ানুর রহমানের যোগদান

চাঁদপুর সড়ক বিভাগের নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন ভূঁইয়া রেদওয়ানুর রহমান। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) তিনি বিদায়ী নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইউনুস আলীর কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

এর আগে ভূঁইয়া রেদওয়ানুর রহমান সড়ক ভবনে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে সড়ক বিভাগে যোগদানের পর তিনি ২০১৪ সাল পর্যন্ত সড়ক ভবনে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি নরসিংদীর শিবপুর সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, ঢাকা কল্যাণপুর সড়ক উপ বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী, শরীয়তপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এবং সড়ক ভবনের প্রধান কার্যালয়ের এইচডিএম অপারেশন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিভিন্ন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনকালে তিনি সড়ক ও সেতুসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে চাঁদপুরের সড়ক যোগাযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর নবাগত নির্বাহী প্রকৌশলী ভূঁইয়া রেদওয়ানুর রহমান বলেন, চাঁদপুর জেলার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, চলমান প্রকল্পগুলোর যথাসময়ে বাস্তবায়ন এবং সড়ক ও সেতুর গুণগত মান নিশ্চিত করাই হবে তাঁর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
তিনি বলেন, চাঁদপুর জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সেতু প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখা হবে।

Model Hospital

নতুন কর্মস্থলে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, চাঁদপুরের সড়ক, সেতু ও অবকাঠামো উন্নয়নে যেসব প্রকল্প চলমান রয়েছে, সেগুলো আরও গতিশীল ও মানসম্মতভাবে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। টেকসই অবকাঠামো নির্মাণের পাশাপাশি মানুষের যাতায়াতের সুবিধা বাড়ানো এবং সড়ক ব্যবহারকারীদের ভোগান্তি কমানোর বিষয়টিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নবাগত নির্বাহী প্রকৌশলী ভূঁইয়া রেদওয়ানুর রহমান বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে শুধু কাজ শেষ করাই নয়, কাজের স্থায়িত্ব ও গুণগত মান নিশ্চিত করাও জরুরি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, চাঁদপুর জেলার সার্বিক সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে সড়ক বিভাগের কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নিয়মিত তদারকি, সঠিক পরিকল্পনা এবং সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।

নবাগত নির্বাহী প্রকৌশলী দায়িত্ব গ্রহণের পর চাঁদপুরের সড়ক বিভাগের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার পাশাপাশি সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।