বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

কুমিল্লার সড়কে প্রাণ গেল ফরিদগঞ্জের যুবকের

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫২ পিএম
কুমিল্লার সড়কে প্রাণ গেল ফরিদগঞ্জের যুবকের

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় আবুল কালাম (৩০) নামে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ এক যুবক নিহত হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আবুল কালামের পিতা মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন, কুমিল্লার চান্দিনা বাজারে আবুল কালামের ফার্নিচার ব্যবসা ছিল। ৩ বছর আগে ব্যবসায় মার খেয়ে তিনি বাড়িতে চলে আসেন। এরপর চট্টগ্রামে এবং এলাকায় কাঠমিস্ত্রীর কাজ করতেন তিনি। শুক্রবার কাজের উদ্দেশ্য কুমিল্লা যান কালাম।

মঙ্গলবার সকাল ১০ টার দিকে এক ব্যক্তি ফোন করে জানান আবুল কালাম দুর্ঘটনার শিকার হয়ে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলালকায় মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে আছে। ফোনে যোগাযোগ করেই আবুল কালামকে নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। ঢাকা নেওয়ার পথে সাইনবোর্ড এলাকায় পৌঁছালে আবুল কালামের মৃত্যু হয়।

তার বাড়ি ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের রুস্তমপুর গ্রামে।

Model Hospital

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, “দুর্ঘটনাটি কুমিল্লায় ঘটেছে। পরিবরের পক্ষ থেকে আইনী পদক্ষেপ নিলে আমরা অবশ্যই প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবো।”

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।