গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান রাশেদ পাঠান, তরুণদের মধ্যে বাড়ছে আলোচনা
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৫নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির তারেক মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি, মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য ও চাঁদপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সাবেক সদস্য মো. রাশেদ পাঠান।

ফরিদগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান রাশেদ পাঠান দীর্ঘদিন ধরে মহানগর রাজনীতির পাশাপাশি নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়ে আসছেন বলে জানান তার সমর্থকরা।

তাদের ভাষ্য, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশার পর থেকে রাশেদ পাঠান গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও যুবসমাজের কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে আসছেন। মাদকের কুফল থেকে তরুণ সমাজকে দূরে রাখতে খেলাধুলায় সহযোগিতা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং দরিদ্র পরিবারের বিয়ের অনুষ্ঠানে আর্থিক সহায়তাসহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।

সম্প্রতি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ৫নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। এরপর থেকেই ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে তাকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে এ নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

রাশেদ পাঠানের সমর্থকদের প্রত্যাশা, একজন তরুণ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ব্যক্তিকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান তারা। তাদের মতে, মানুষের কথা শুনবেন, সবার জন্য সমানভাবে কাজ করবেন এবং ইউনিয়নের উন্নয়ন ও নাগরিক সেবাকে এগিয়ে নেবেন—এমন নেতৃত্বই প্রয়োজন।
ইউনিয়নের ফারুক মাস্টার, মোবারক হোসেন ও আলাউদ্দিন মিয়া বলেন, তারেক রহমান তরুণ প্রজন্মকে নেতৃত্বে আসার যে আহ্বান জানিয়েছেন, সেটি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তারা আগামী নির্বাচনে রাশেদ পাঠানকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান।
রাশেদ পাঠানের নিজ গ্রাম ঘনিয়া-মানুরী ছাড়াও বালিমুড়া, ডোমরা, গুয়াটোবাসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয়তা রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে ৫নং গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের ঘনিয়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে মো. রাশেদ পাঠান বলেন, “আমার নেতা তারেক রহমান তরুণদের নেতৃত্বে দেখতে চান। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক শ্রম ও ঘামের স্বীকৃতি হিসেবে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছি। তবে চেয়ারম্যান হওয়াই আমার একমাত্র লক্ষ্য নয়; মানুষের সেবা করাই আমার মূল অঙ্গীকার। জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে আমি একটি সুন্দর, নিরাপদ ও উন্নত ইউনিয়ন গড়তে চাই।”
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, যুব উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক ইউনিয়ন পরিষদ গঠনে তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করতে চান।
রাশেদ পাঠানের ঘোষণাকে ঘিরে গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কে জনপ্রতিনিধি হবেন, সেই সিদ্ধান্ত দেবেন ইউনিয়নের ভোটাররা। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে রাশেদ পাঠান ইউনিয়নবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।








