শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জ সাফুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রান্তিক মূল্যায়ন ও পুরস্কার বিতরণ

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১০ পিএম
ফরিদগঞ্জ সাফুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রান্তিক মূল্যায়ন ও পুরস্কার বিতরণ
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাফুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রান্তিক মূল্যায়ন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, পড়াশোনায় আগ্রহ বৃদ্ধি এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাফুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি জাকির হোসেন সৈকত। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা ও শৃঙ্খলার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিদ্যালয়ের মাহবুবুর আলম পাঠান। এতে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি কামরুল পাটোয়ারী, সদস্য ফোরকান খান, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক, শিক্ষার্থীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রান্তিক মূল্যায়নে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ। প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মেধা তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। পুরস্কার পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
এ সময় বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধার স্বীকৃতি তাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে উৎসাহিত করবে। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত অব্যাহত রাখলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব ও পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে।
অনুষ্ঠানের শেষদিকে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ আরও সুন্দর করা এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়ে অভিভাবক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যদের মধ্যে আলোচনা হয়।

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।