রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

মতলব দক্ষিণে ৪৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩২ শিক্ষার্থী পেল ফুটবল খেলার বুট

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১২ পিএম
মতলব দক্ষিণে ৪৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩২ শিক্ষার্থী পেল ফুটবল খেলার বুট

মতলব দক্ষিণ উপজেলায় প্রাইমিনিস্টার গোল্ডকাপ ফুটবল টুনামেন্ট উপলক্ষে ক্রীড়া সামগ্রী প্রদান করছেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম. ইশমামসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ ও প্রাইমিনিস্টার গোল্ডকাপ ফুটবল টুনামেন্ট উপলক্ষে ক্রীড়া সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রাইমিনিস্টার গোল্ডকাপ ফুটবল টুনামেন্ট উপলক্ষে উপজেলার ৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৮৩২ জোড়া ফুটবল খেলার বুটজুতা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম. ইশমাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক বাদল। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সদস্য ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মুজাহিদুল ইসলাম কিরন।
এসময় মতলব দক্ষিণ উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব এমদাদ হোসেন খান, সদস্য মো. ফয়সাল খন্দকারসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত ক্রীড়া চর্চা শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলাবোধ, নেতৃত্বের গুণ, আত্মবিশ্বাস এবং দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে নিয়মিত প্রতিযোগিতার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সামগ্রী সরবরাহ করা জরুরি। এতে প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকার শিক্ষার্থীরাও ক্রীড়া কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৮৩২ জন শিক্ষার্থীর হাতে ৮৩২ জোড়া ফুটবল খেলার বুট বিতরণ। বুট পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা যায়।
ক্রীড়াবিদরা মনে করেন, প্রয়োজনীয় ক্রীড়া উপকরণ সরবরাহের ফলে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণ আরও বাড়বে এবং স্থানীয় পর্যায়ে নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে। পুরস্কার গ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও ক্রীড়া সামগ্রীর সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে মতলব দক্ষিণে শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাবে।

খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
খেয়াঘাটে ‘রান ফর লাইফ’, সুস্থতার বার্তা নিয়ে ৩ কিলোমিটার দৌড়

মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, নিয়মিত শরীরচর্চায় উৎসাহিত করা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা ছড়িয়ে দিতে চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘রান ফর লাইফ’ শীর্ষক ৩ কিলোমিটার ফান রান। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ৬টায় উপজেলার পরিচিত পর্যটনকেন্দ্র খেয়াঘাট এলাকায় এ আয়োজন করা হয়।

ভোরের নির্মল পরিবেশে আয়োজিত এ দৌড়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে শাহরাস্তি ওয়াকওয়ে। শরীরচর্চার পাশাপাশি আনন্দ ও সুস্থতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

‘Vital Mahadi Run’ পেজের অ্যাডমিন মো. মেহেদী হাসান এবং ‘মানুষের কথা’ পেজের অ্যাডমিন মো. সোহেল আহমেদের যৌথ উদ্যোগে এ ফান রানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের রিপোর্টিং সময় ছিল ভোর সাড়ে ৫টা।

আয়োজকেরা জানান, শাহরাস্তি ওয়াকওয়ের সূচীপাড়া ব্রিজ-সংলগ্ন স্থান থেকে দৌড় শুরু হয়। সেখান থেকে রানাররা গন্দপুর ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার এগিয়ে যান। পরে ইউ-টার্ন নিয়ে একই পথে ফিরে এসে মোট ৩ কিলোমিটার দৌড় সম্পন্ন করেন।

Model Hospital

আয়োজনটিতে ফুড স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করে ‘ইলশে বাড়ি’। প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী ইলিশ সারা দেশে সরবরাহ করে থাকে।

অন্যদিকে, মেডেল স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তির মেহের উত্তর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. লোকমান হোসেন মুন্সী। তাঁর পক্ষ থেকে অংশগ্রহণকারীদের জন্য কাস্টমাইজড মেডেলের ব্যবস্থা করা হয়। মেডেল পেয়ে রানারদের মধ্যে বাড়তি উৎসাহ ও আনন্দ দেখা যায়।

আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন তরুণসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চায় আগ্রহী করে তুলবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি ও সুস্থ সমাজ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, ‘রান ফর লাইফ’-এর এই উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং আরও বেশি মানুষকে সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করবে।

‘রান ফর লাইফ’-এর প্রত্যয়—সুস্থ শরীর, সুন্দর সমাজ।