বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় বৃদ্ধ বাবার বিরুদ্ধে মেয়ের অপপ্রচারের অভিযোগ

কচুয়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৭ পিএম
কচুয়ায় বৃদ্ধ বাবার বিরুদ্ধে মেয়ের অপপ্রচারের অভিযোগ
কচুয়া উপজেলার কাপিলা বাড়ি মিয়াজী বাড়ির ক্বারী আব্দুল মমিনের বিরুদ্ধে তার মেয়ে আসমা বেগম বিভিন্ন ধরনের কুৎসা ও অপপ্রচার চালিয়ে সম্মানহানি করছেন—এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অতিষ্ঠ হয়ে ক্বারী আব্দুল মমিন তার মেয়ে আসমা বেগম ও জামাতা গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে কচুয়া থানায় এজাহার দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ক্বারী আব্দুল মমিন তার মেয়ে আসমা বেগমকে পার্শ্ববর্তী বাড়ির গোলাম মোস্তফার সঙ্গে বিয়ে দেন। বিয়ের পর আসমা প্রায়ই বাবার বাড়িতে এসে তার ভাই ওসমানের স্ত্রী তামান্না আক্তারের সঙ্গে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদে জড়িয়ে পড়তেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৫ আগস্ট আসমা বাবার বাড়িতে প্রবেশ করে তামান্না আক্তারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধর করেন। এ সময় তামান্নার স্বর্ণের চেইন ও একটি বৈদ্যুতিক চুলা নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ঘরের বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। ডাক-চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসমা ও তার স্বামী মোস্তফা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। পরে আহত অবস্থায় তামান্না আক্তারকে উদ্ধার করে কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও সালিশ বৈঠকে উপস্থিত আব্দুল মজিদ ও সবুজের দাবি, আসমা গ্রামবাসীর সালিশের সিদ্ধান্ত মেনে না নিয়ে বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তার বাবা ক্বারী আব্দুল মমিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
ক্বারী আব্দুল মমিনের মেয়ে আমেনা অভিযোগ করে বলেন, “আমার বোন আসমা বরাবরই আমাদের সংসারে অশান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে আমার বাবা, ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রী তামান্নার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”
এ বিষয়ে ক্বারী আব্দুল মমিন জানান, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে পড়ায় তিনি আইনগত প্রতিকার চেয়ে কচুয়া থানায় এজাহার দায়ের করেছেন।
এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital