বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ভুয়া পেজ, ভুয়া পরিচয়, ভুয়া ভাউচার—ইলিশ প্রতারণায় ১০ মোবাইল, ৪৬ সিম সহ গ্রেফতার ৪

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৬ পিএম
ভুয়া পেজ, ভুয়া পরিচয়, ভুয়া ভাউচার—ইলিশ প্রতারণায় ১০ মোবাইল, ৪৬ সিম সহ গ্রেফতার ৪

চাঁদপুরের বিখ্যাত ইলিশ মাছসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে অনলাইনে প্রতারণার অভিযোগে আন্তঃজেলা চক্রের আরও চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে চাঁদপুর জেলা পুলিশ। নড়াইল জেলার কালিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০টি মোবাইল ফোন, ৪৬টি সিম কার্ড—এর মধ্যে দুটি ভারতীয় সিম—এবং নগদ ৭৫ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন—নড়াইলের কালিয়া থানার আমতলা এলাকার ফুরকান ওরফে ফুরকান শেখ (২৫), নওয়াগ্রামের চান মিয়া ওরফে চান্দু শেখ (২৫), রাতুল হোসেন নবেল (২৫) ও শহিদুল শেখ (২৩)।

পুলিশ জানায়, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক থেকে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে এডিটের মাধ্যমে ভুয়া পেজ এবং হোয়াটসঅ্যাপ আইডি খুলে প্রতারণা করে আসছিল। এসব পেজে চাঁদপুরের ইলিশ, ফার্নিচার, জুতা, কলম ও শিশুদের খেলনাসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির বিজ্ঞাপন দেওয়া হতো। পাশাপাশি অনলাইন জবের লোভনীয় অফার দিয়েও গ্রাহকদের আকৃষ্ট করত তারা।

Model Hospital

প্রতারণাকে বিশ্বাসযোগ্য করতে চক্রটি ভুয়া ঠিকানা, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র, ট্রেড লাইসেন্স এবং নকল ভাউচার ব্যবহার করত। গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় অন্যের নামে নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে নাহিদ, জাবেদ, সনি ও হাজী আব্দুল কাদেরসহ বিভিন্ন ভুয়া পরিচয়ে নিজেদের ব্যবসায়ী হিসেবে দাবি করত।

পুলিশের ভাষ্য, গ্রাহকদের কাছ থেকে পণ্যের অগ্রিম টাকা নেওয়ার পর আর মালামাল সরবরাহ করা হতো না। টাকা পাওয়ার পরই ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিত চক্রের সদস্যরা।

এ ঘটনায় চাঁদপুর মডেল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইন ও পেনাল কোডে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দুটির সূত্র ধরে চাঁদপুর জেলা পুলিশের এলআইসি শাখা ও ডিবি আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে নড়াইলে অভিযান চালানো হয়।

চাঁদপুর জেলা পুলিশ জানিয়েছে, একই চক্রের আগে গ্রেফতার হওয়া দুই সদস্যসহ এ পর্যন্ত মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, অনলাইন প্রতারণা ও সাইবার জালিয়াতির বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।