বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

টিকিট কেটেও মিলছে না আসন, সুরমা সুপারে যাত্রী ভোগান্তির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৩৯ পিএম
টিকিট কেটেও মিলছে না আসন, সুরমা সুপারে যাত্রী ভোগান্তির অভিযোগ
টিকিট কেটেও নির্ধারিত আসন না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বাস পরিবহন সুরমা সুপার-এর বিরুদ্ধে। ফলে টিকিটধারী যাত্রীদের বাসের সামনের অংশে চালকের পাশে দাঁড়িয়ে বা কষ্ট করে যাতায়াত করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
রোববার সকাল ৮টার দিকে ঢাকা–কচুয়া–রহিমানগর–হোসেনপুর রুটে চলাচলকারী সুরমা সুপার পরিবহনের একটি বাসে এমন ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, তারা কচুয়া বিশ্বরোড এলাকায় ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন সুরমা সুপারের কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করেন। কিন্তু টিকিটে আসন নম্বর উল্লেখ থাকার পরও বাসে উঠে সেই অনুযায়ী আসন পাননি তারা। একপর্যায়ে কয়েকজন যাত্রীকে চালকের আসনের আশপাশে দাঁড়িয়ে কিংবা বসার অনুপযুক্ত স্থানে কষ্ট করে যেতে দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে বাসের চালক ও কন্টাক্টরের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, কচুয়া বিশ্বরোড ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন কাউন্টার থেকে টিকিট বিক্রি করা হলেও টিকিট অনুযায়ী সব যাত্রীর জন্য নির্ধারিত আসন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রাখা হয়নি।
এদিকে ভুক্তভোগী যাত্রীরা প্রশ্ন তুলে বলেন, “কাউন্টার থেকে টিকিট নেওয়ার পরও যদি নির্ধারিত সিট না পাওয়া যায়, তাহলে কাউন্টারে টিকিট বিক্রি কিংবা কাউন্টার থাকার প্রয়োজন কী?”
যাত্রীদের অভিযোগ, দূরপাল্লার বাসে টিকিটের বিপরীতে নির্ধারিত আসন নিশ্চিত করা পরিবহন কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। কিন্তু টিকিট বিক্রির পর আসন না পাওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তির পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পরিবহন কর্তৃপক্ষের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং টিকিটের বিপরীতে যাত্রীদের নির্ধারিত আসন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।