বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক সেরা শিল্পীর পুরস্কার পেলেন চাঁদপুরের নাইমুর রহমান শান্ত

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৪ পিএম
আন্তর্জাতিক সেরা শিল্পীর পুরস্কার পেলেন চাঁদপুরের নাইমুর রহমান শান্ত

চাঁদপুরের তরুণ শিল্পী ও Artistic Shanto-এর প্রতিষ্ঠাতা নাইমুর রহমান শান্ত অর্জন করেছেন KPR International Best Artist Award 2026। আন্তর্জাতিক শিল্পচর্চায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে এ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।

আগামী ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার বিকেল ৫টায় ঢাকার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়ার কথা রয়েছে।

নাইমুর রহমান শান্ত দীর্ঘদিন ধরে চিত্রকলার বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ করছেন। ক্যানভাস আর্ট, পোর্ট্রেট, অ্যাক্রিলিক আর্ট, ক্যালিগ্রাফি ও প্যাস্টেল আর্টসহ বিভিন্ন ধরনের সৃজনশীল শিল্পকর্ম তৈরি করছেন তিনি। পাশাপাশি তরুণদের শিল্পচর্চায় উৎসাহিত করতে Artistic Shanto-এর মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছেন।

চাঁদপুরের এই তরুণ শিল্পী বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ স্বীকৃতি তাঁর জন্য আনন্দ ও গর্বের। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের শিল্প, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরতে আরও বড় পরিসরে কাজ করতে চান তিনি।

Model Hospital

নাইমুর রহমান শান্ত বলেন, ‘একজন চাঁদপুরের তরুণ শিল্পী হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। এই অর্জন আমাকে ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা দেবে।’

চাঁদপুরের এই তরুণ শিল্পীর প্রত্যাশা, তাঁর এ অর্জন দেশের তরুণ প্রজন্মকে শিল্পচর্চায় আরও উৎসাহিত করবে এবং বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার পথকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।