মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

দলীয় সিন্ডিকেট নয়, জনগণের শক্তিই হোক পৌরসভার উন্নয়নের ভিত্তি : নিয়াজ মোর্শেদ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০০ পিএম
দলীয় সিন্ডিকেট নয়, জনগণের শক্তিই হোক পৌরসভার উন্নয়নের ভিত্তি : নিয়াজ মোর্শেদ
চাঁদপুর পৌরসভায় নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সাধারণ জনগণের সচেতনতা, ঐক্য ও সম্মিলিত শক্তি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আসন্ন পৌর নির্বাচনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী খান মুহাম্মদ নিয়াজ মোর্শেদ।

তিনি বলেছেন, ‘দলীয় কিংবা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছে পৌরসভার জনগণ জিম্মি হয়ে আছে। অথচ নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য জনগণের কোনো সিন্ডিকেট বা  ঐক্যবদ্ধ শক্তি নেই। পৌরসভায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে হলে সাধারণ নাগরিকদের শক্তি ও সামর্থ্য বাড়াতে হবে। নাগরিক অধিকার, নিরাপত্তা ও স্বস্তিকর সেবা নিশ্চিত করতে হলে জনগণকে জাগ্রত, সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

১৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার তিনি নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে শহরের বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি চাঁদপুর শহরের বাসস্ট্যান্ড, মাদরাসা রোড, বিষ্ণুদি রোডসহ বিভিন্ন জনবহুল ও জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পাশাপাশি তিনি আসন্ন চাঁদপুর পৌরসভার নির্বাচনে মেয়র সম্ভব্য প্রার্থী হিসেবে লিফলেট বিতরণ করেন।

নিয়াজ মোর্শেদ বলেন, চাঁদপুর পৌরসভার নাগরিকরা নিয়মিত কর প্রদান করছেন। কিন্তু এর বিনিময়ে নাগরিকরা তাদের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা থেকে অনেকাংশে বঞ্চিত। অনেক এলাকার সড়কগুলো বছরের পর বছর ধরে ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে আছে। সন্ধ্যা নামলেই এলাকার সড়কগুলো অন্ধকার হয়ে যায়। বাসাবাড়িতে পর্যাপ্ত সুপেয় পানির সরবরাহ নেই। পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থাও যথেষ্ট নয়। পাশাপাশি আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব রয়েছে।

Model Hospital

পৌরসভার এসব সমস্যা সমাধানে নাগরিকদের সম্মিলিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নিয়াজ মোর্শেদ বলেন, ‘এসব মৌলিক বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষকে আরও আন্তরিক ও কার্যকর করতে হলে জনগণের ঐক্য প্রয়োজন। জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে দাবি ও চাপ সৃষ্টি করলে পৌর প্রতিনিধিরা পৌর প্রশাসনকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে পারবেন।’

গণসংযোগকালে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী আরও বলেন, ‘আমি দলীয় সিন্ডিকেটের জায়গায় জনগণের সিন্ডিকেট দেখতে চাই। এজন্যই দলীয় সিন্ডিকেটের ঊর্ধ্বে উঠে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে চলছি। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য কথা বলছি, কাজ করছি। জনস্বার্থই আমার কাছে প্রথম অগ্রাধিকার।’

তিনি স্থানীয় নাগরিকদের সঙ্গে পৌরসভার বিভিন্ন সমস্যা, নাগরিক প্রত্যাশা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন। এ সময় এলাকার বাসিন্দারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৩ পিএম
বিমানবন্দরে সংবর্ধিত রাজারগাঁওয়ের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ১ নং রাজারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আব্দুল করিম বেপারী দেশে ফেরায় তাকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবর্ধনা দিয়েছেন দুই শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ফুল দিয়ে তাকে বরণ করে নেন। রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রবীণ-নবীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এতে অংশ নেন।

আব্দুল করিম বেপারী নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “আপনাদের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। আমি রাজারগাঁও ইউনিয়নবাসীর সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। সমান ভাবে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি-চাঁদপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক মমিন ভাইয়ের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী ইউনিয়নের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা করব। রাজারগাঁও ইউনিয়নকে অন্যায়, অনিয়ম,অপরাধ, দুর্নীতি, লুটপাট মুক্ত – একটি সুন্দর ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করছি।”

Model Hospital

এদিকে সংবর্ধনায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বলেন, তারা আব্দুল করিম বেপারীকে রাজারগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান। তাদের প্রত্যাশা, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হবেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের প্রবীণ ও নবীন নেতাকর্মী, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেষে আব্দুল করিম বেপারী বলেন, “আমার নেতাকর্মী, সমর্থক ও ইউনিয়নবাসীর কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা আমাকে যে ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছেন, তা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও স্মরণীয় একটি মুহূর্ত।”