বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা, আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৪ পিএম
কচুয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের ওপর হামলা, আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে

কচুয়ায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান করতে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তার হামলা অভিযোগ উঠেছে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে।

কচুয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি হয়েছে ওই এলাকায়।
ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার মধ্যরাতে উপজেলার গোহট উত্তর ইউনিয়নের আইনগিরী বাতাবাড়িয়া গ্রামের ফকির বাড়িতে।
স্থানীয়রা জানান, কচুয়া থানা পুলিশের একটি দল ওই বাড়ির দিদার হোসেনের বাড়িতে মাদকের অভিযান দিতে প্রবেশ করে । পরে পাশের গেট দিয়ে বের হওয়ার সময় মাদক কারবারিরা পুলিশের এএসআই শহিদুল ইসলামের  ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে হামলার মুখে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পিছু হটে বলে জানান স্থানীয়রা। পরে এএসআই শহিদুল ইসলাম রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়।
হামলার শিকার এএসআই শহিদুলও তার ওপর হামলার ঘটনা স্বীকার করে বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান করতে গেলে হঠাৎ একদল দুর্বৃত্ত আমার মাথায় টস লাইট দিয়ে আঘাত করে দ্রুত ঘটনাস্থলে থেকে পালিয়ে যায়।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, পুলিশের ওপর হামলার সময় ঘটনাস্থলে একটি মোবাইল ফোন ফেলে যায় মাদক কারবারিরা। তবে ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও ওই মোবাইল ফোন উদ্ধার করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
স্থানীয়রা বলছেন, পুলিশের ওপর হামলার মতো ঘটনার পরও যদি জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে এলাকায় মাদক কারবার আরও উৎসাহিত হতে পারে।
তারা ক্ষোভ প্রকাশ আরো জানান, আইনগিরী ও বাতাবাড়িয়া গ্রামে মাদক বিরোধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। মাদক বিরোধী সমাবেশে আইনশৃঙ্খলা ও সাংবাদিক ও এলাকাবাসীসহ সকলের উপস্থিতিতে মাদকের বিরুদ্ধে গণস্বাক্ষর নিয়ে  চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী এরশাদ হোসেন,সাইদুল্লাহ, আনোয়ার হোসেন, তার ছেলে নাবিল হোসেন,মা ওজুফা খাতুন, মাসুদ ও আলমগীর হোসেনসহ আরো অনেকের নাম উল্লেখ করা হয় । পরবর্তীতে তাদের নাম লিস্ট করে কচুয়া থানা জমা দেওয়া হয়েছে।
দুঃখের বিষয় তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কচুয়া থানার পুলিশ। এমনকি তারা প্রকাশ্যে এলাকায় ঘোরাফেরা করছেন, তাদের ছত্রছায়া পার্শ্ববর্তী উপজেলা বরুড়া থেকেও ফেনসিডিল ইয়াবা ও গাজা এনে এই গ্রামে ক্রয়বিক্রয় করছে। তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাই।
এ বিষয়ে কচুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মো: আজিজুল ইসলাম বলেন,  তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।